বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশন আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশন করবেন 2022 এ | Effective way of Registering Land

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশন আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশন করবেন 2022 এ | Effective way of Registering Land

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশন আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশন করবেন ২০২২ এ

Best Advocate Lawyer Barrister In Bangladesh

তাহমিদুর রহমান, Director and Senior Associate

বাংলাদেশে অনেক মানুষই ভূমি আইন সম্পর্কে খুব বেশি জানেন না। ফলে তারা জমি নিয়ে নানা ধরনের প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হন। জমি রেজিস্ট্রেশন করা খুবই জরুরি। রেজিস্ট্রেশন আইন ২০০৪ (সংশোধিত) অনুযায়ী, প্রায় সকল দলিল রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক।
আইন অনুযায়ী দলিল রেজিস্ট্রি করা হলে মালিকানা নিয়ে বিরোধ এড়ানো যায়। এছাড়া জমি রেজিস্ট্রি করা থাকলে পরবর্তীতে বিক্রি, দান, উইল করতে সহজ হয়। স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় দলিল অবশ্যই লিখিত হতে হবে। এখানে আমরা আজকে জমি রেজিস্ট্রেশন নিয়ে বিশদ আলোচনা করব। 

Table of Contents

Find the subsections below, If you want to jump through specific sections instead of reading the whole article.

চেক-ডিসঅনার-মামলা-_-Best-Company-Law-Firm-In-Bangladesh-2

বাংলাদেশে জমি রেজিষ্ট্রেশন সংস্থার বিবরণ – ইন্সপেক্টর জেনারেল, রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার

জমি রেজিস্ট্রেশন এর কার্যকলাপ সুষ্ঠু ভাবে পর্যালোচনা করার জন্য বাংলাদেশে একজন ইন্সপেক্টর জেনারেল আছেন। গত কয়েক বৎসর ধরে জেলা জজ পর্যায়ের অফিসারদেরকে সরকার ইন্সপেক্টর জেনারেলরূপে নিয়োগ করে আসছে। ইন্সপেক্টর জেনারেলের নিচে রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রার নিয়াজিত আছেন।

সরকার রেজিষ্ট্রেশন কর্মের সুবিধার জন্য সারা দেশকে জেলায় এবং উপজেলায় বিভক্ত করেন এবং এই বিভাগকে গেজেটে বিজ্ঞাপিত করেন। তাছাড়া সরকার একে পরিবর্তনের ক্ষমতাও রাখেন।

এই সমস্ত এলাকায় সরকার রেজিস্ট্রার ও সাব- রেজিস্ট্রার নিয়োগ করেন। সরকার রেজিষ্ট্রেশন এর কাজ সুনিষ্পন্ন করবার জন্য ইন্সপেক্টর জেনারেল অব রেজিষ্ট্রেশন, রেজিন্ট্রার ও সাব-রেজিস্ট্রারের অফিস স্থাপন করেন।

এছাড়া সরকার এখতিয়ার অনুযায়ী রেজিষ্ট্রেশন অফিসের ইন্সপেক্টর নিয়াগ করতে পারেন। রেজিস্ট্রার অনুপস্থিতে থাকলে কিংবা তার পদ শূন্য থাকলে জেলা জজ তার কাজ করতে পারেন। সাব-রেজিস্ট্রার অনুপস্থিত থাকলে বা তার পদ শূন্য থাকলে রেজিস্ট্রার কর্তৃক নিয়োজিত যেকোন ব্যক্তি সাব-রেজিস্ট্রারের কাজ করতে পারেন।

সরকার প্রত্যেক রেজিষ্ট্রেশন অফিসে অগ্নিনিরোধক বাক্স সরবরাহ করেন এবং দলিল রেজিস্ট্রিকরণ সম্পর্কিত রেকর্ডসমূহের নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

জমি রেজিস্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে কোন দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে

এবার দেখা যাক, কোন কোন দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। এই প্রসঙ্গে কয়েকটি প্রাথমিক বিধান জানিয়া নেওয়া প্রয়োজন।

কোন শ্রেণীর দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে তা আইন স্পষ্ট করে বলে দিয়াছে। যে সমস্ত দলিল আইন অনুযায়ী অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে, সেই সমস্ত দলিল রেজিস্ট্রি না হলে ঐ দলিল দ্বারা কোন আদান প্রদান প্রমাণিত হয় না।

ধরুন, ওয়াহিদ তার একখানি জমি পাঁচ লাখ টাকা মূল্যে সাবেতের নিকট বিক্রয় করলেন। দলিল সঠিকভাবে লিখত হল কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হল না। এই রেজিস্ট্রিবিহীন দলিল দ্বারা সাবেত দলিলের জমির উপর কোন স্বত্ব লাভ করেন না।

স্থাবর সম্পত্তির দানের দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। তবে বাংলাদেশের মুসলমান ইসলামী আইনে তার স্থাবর সম্পাত্তি হিবা বা দান করতে পারে এবং হিবার জন্য দলিল রেজিস্ট্রির আবশ্যক হয় না। তবে দানের জন্য কোন দলিল লিখতে হয় তা হলে তা রেজিস্ট্রি করতে হবে।

যে স্থাবর সম্পত্তির মূল্য একশত টাকা বা তার বেশি সেই স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কে প্রায় সকল প্রকার দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। যে দলিল দ্বারা স্থাবর সম্পত্তিতে কোন অধিকার বা সত্ত্ব বা অন্য যেকোন প্রকারের স্বার্থ সৃষ্টি হয়, ঘোষিত হয়, পরিবর্তিত হয়, প্রদত্ত হয়, সীমায়িত হয় এবং বিলুপ্ত হয় সেই দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে। তবে উইলের ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য নয়।

সম্পত্তির উপর অধিকার বা স্বার্থ নানা প্রকার দলিলের মাধ্যমে জন্মাতে পারে। ক্রয়, বন্ধক, লীজ, বিনিময় প্রভৃতির মাধ্যমে সম্পত্তি অর্জন করা যায় এবং এইভাবে স্বত্ব অর্জন করতে হলে তা রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে করতে হয়। যে দলিল দ্বারা স্বত্ব ঘােষিত হয় বা খর্বিত হয় না নষ্ট হয়, সেই দলিল রেজিস্ট্রি করতে হবে।

যে রসিদ দ্বারা কোন স্বত্ব বা অধিকার সৃষ্ট, ঘোষিত, খর্বিত, হস্তান্তরিত বা বিলুপ্ত হয় তাও রেজিস্ট্রি করতে হবে।

লীজ করিবার চুক্তি দলিল রেজিস্ট্রি

যে লীজ দলিল দ্বারা লীজগ্রহীতার বরাবরে তাৎক্ষণিকভাবে লীজভুক্ত সম্পত্তির দখল অর্পণ করা হয় সেই লীজ দলিল, যদি এক বৎসরের উর্ধ্বে মেয়াদী লীজ হয় কিংবা বাৎসরিক খাজনার শর্তে লীজ হয়, রেজিস্ট্রি করতে হবে।

অন্যভাবে লীজ করিবার চুক্তি দলিল রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক নয়। এক বৎসরের কম সময়ের জন্য লীজ হলে রেজিস্ট্রি দলিল দরকার নেই। যদি লীজ এক বৎসরের উর্ধ্বকালের জন্য হয় এবং দলিল রেজিস্ট্রি করা না হয়, তা হলে ঐ লীজ বেআইনী হবে না। সেই ক্ষেত্রে মনে করা হবে যে, লীজ এক বৎসরের জন্য বা এক মাসের জন্য করা হয়েছে।

আদালতের ডিক্রি বা হুকুমনামা যদি কোন স্বত্ব সৃষ্টি বা বিলোপ করে তা হস্তান্তর করতে হলে রেজিস্ট্রি করতে হবে।

যেই সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল রেজিস্ট্রি করা আবশ্যক সেই সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল রেজিস্ট্রি করতেই হবে। যেই সমস্ত ক্ষেত্রে দলিল রেজিস্ট্রি করা আবশ্যক নহে সেই সমস্ত ক্ষেত্রেও দলিল রেজিস্ট্রি করা যেতে পারে, এতে কোন ক্ষতি-বৃদ্ধি হয় না।

দলিলের মধ্যে কাটা-ছেঁড়া বা পরিবর্তন থাকলে তা দলিল সম্পাদনকারী স্বাক্ষর করে প্রত্যয়ন করবেন; তা না হলে রেজিস্ট্রিকারী অফিসার ঐ দলিল রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করবেন।

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশান করবেন ২০২২ এ_ Best Law Firm In Bangladesh.png

জমি রেজিস্ট্রেশান আইন-ঃ দলিলে সম্পত্তির বিবরণ

দলিল দ্বারা সম্পত্তি সম্পর্কে অধিকার বা স্বত্ব সৃষ্টি অথবা বিলুপ্ত হয়। তাই যে দলিল দ্বারা এই সৃজন ও বিলাপন ঘটে সেই দলিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির সনাক্তযোগ্য বিবরণ থাকা উচিত।

তা না থাকলে তা রেজিস্ট্রি করিবার জন্য গৃহীত না-ও হতে পারে।

ধরুন হাফিয সাহেব তার শহরের বাড়িখানি বিক্রয় করতে চাহিলেন। দলিলের মধ্যে এই বাড়ির সনাক্তযােগ্য বিবরণ লিখতে হবে প্রথমে ঐ বাড়িখানি শহরের কোন রাস্তায় অবস্থিত তার পরিচয় লিখতে হবে। বাড়ির নম্বর লিখতে হবে। বাড়ির উত্তরে কে বা কারা আছে তা লিখতে হবে। বাড়িতে আগে কে থাকতেন তা লিখতে হবে।

হাফিয তার গ্রামের জমিখানি বিক্রি করতে চাহিলে সেই ক্ষেত্রে তাকে ঐ জমির দাগ ও খতিয়ান, মৌজা, জেলা প্রভৃতি লিখতে হবে। ঐ জমি পূর্বাপর কে দখল করে আসিতেছিল, তাও লিখতে হবে।

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইনঃ দলিল সম্পাদন কাকে বলে? কত দিনের মধ্যে দলিল রেজিস্ট্রি করতে হয় ?

 

সাধারণত, যে তারিখে দলিল সম্পাদিত হয় সেই তারিখ হতে চার (৪) মাসের মধ্যে ঐ দলিল রেজিস্ট্রি করিবার জন্য রেজিস্ট্রিকারী অফিসারের কাছে দাখিল করতে হবে।

এবং চার মাসের বেশি দেরি হয়ে গেলে ঐ দলিল রেজিস্ট্রি করিবার জন্য গৃহীত হয় না। এই প্রসঙ্গে সম্পাদন কাহাকে বলে তা আপনার বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। হাফিজ তার একখান জমি কবালা দলিলমূল্যে বিক্রয় করবেন। দলিল লেখককে হাফিজ তার জমির বিবরণ, ক্রেতার বিবরণ, তার স্বত্বের পরিচয়, মূল্যের পরিমাণ প্রভৃতি সকল জ্ঞাতব্য বুঝাইয়া দিলেন। দলিল লেখা হয়ে গেল।

হাফিজ সাহেব কে তা পড়িয়া শুনান হল। তিনি বুঝিতে পারিলেন যে, দলিলখানা ঠিকমত লেখা হয়েছে অত:পর তিনি প্রতি পৃষ্ঠা তে স্বাক্ষর করলেন। এই স্বাক্ষর দ্বারা দলিলখানি সম্পাদিত হল।

এই সমস্ত কাজ নিষ্পন্ন হয়ে গেলে স্বাক্ষরদানকে সম্পাদন বলে। সম্পাদনের সময় যে তারিখ দেওয়া হয় তাকেই সম্পাদনের তারিখ বলে ধরা হয়। 

 

 একাধিক ব্যক্তির দলিল সম্পাদন

এমন অবস্থা হতে পারে যে, একটি দলিল একাধিক ব্যক্তি সম্পাদন করিল। সেই ক্ষেত্রে প্রত্যেক সম্পাদন হত চারি মাসের মধ্যে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হবে।

তার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনিবার্য কারণে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করা না গেলে রেজিস্টারের নিকট দরখাস্ত করা যেতে পারে এবং রেজিস্টার চার মাসের বেশি দেরি না হলে রেজিস্ট্রেশন ফি-এর দশ গুণ পর্যন্ত জরিমানা করে তা রেজিস্ট্রির আদেশ দিতে পারেন। এই বিলম্ব মার্জনা করিবার জন্য সাব-রেজিস্টারের কাছে দরখাস্ত করা হলে তিনি তা তার রেজিস্ট্রারের নিকট পাঠাইবেন।

বাংলাদেশের বাহিরে জমি রেজিস্ট্রেশন এর দলিল সম্পাদন

কোন দলিল যদি বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত হয় তা হলে ঐ দলিল দেশে পৌছিবার চারি মাসের মধ্যে দাখিল করতে হবে।

রেজিস্ট্রিকারী অফিসার দেশে দলিলটি পৌছিবার তারিখ সম্পর্কে সাক্ষ্য-প্রমাণ লইয়া যথার্থতা নির্ধারণ করতে পারবেন এবং উপযুক্ত ফি লইয়া তা রেজিস্ট্রি করতে পারবেন। উইল যে কোন সময় রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করা যায়, এই ব্যাপারে কোন তামাদি নেই।

কোন অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি হবে:

 

এইবার আমরা দেখিব দলিল কোন অফিসে জমি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য দাখিল করতে হয়। যে সমস্ত সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এলাকায় সম্পত্তি অবস্থিত সেই সমস্ত সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রির জন্য দাখিল করতে হয়। সম্পত্তির অংশ যে সাব-রেজিস্ট্ি অফিসে অবস্থিত সেখানেও দাখিল করা যায়। তবে যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের এলাকায় সম্পত্তি অবস্থিত নহে সেই সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে ঐ সম্পত্তির বিষয়ে দলিল রেজিস্ট্রি হলে দলিলের পক্ষবৃন্দ কোন প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারবেন না।

 

 

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশান করবেন ২০২২ এ_ Best Law Firm In Dhaka.png

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশন আইন : জমি কে দাখিল করবে ? কিভাবে আম-মোক্তারনামা সম্পাদন করবেন?

এবার দেখ যাক, জমি রেজিস্ট্রেশন এর জন্য কাহারা দলিল দাখিল করতে পারেন। যিনি দলিল সম্পাদন করেছেন কিংবা যিনি ঐ দলিলের দাবিদার কিংবা তাদের প্রতিনিধি বা আম-মোক্তারনামা দলিল দাখিল করতে পারেন।

যিনি যে জেলার বা উপজেলার অধিবাসী তিনি সেই জেলায় বা উপজেলায় আম-মােক্তারনামা সম্পাদন করবেন: তিনি যদি বাংলাদেশের বাহিরে বাস করেন তবে নোটারি পাবলিকের সম্মুখে আম-মোক্তারনামা সম্পাদন করবেন।

কোন ব্যক্তি যদি সাব-রেজিস্ট্রির বা রেজিস্ট্রার বা নােটারী পাবলিকের সামনে যেতে ব্যর্থ হন তা হলে তার অনুপস্থিতিতেও রেজিস্ট্রার, সাব-রেজিস্ট্রার বা নোটারি পাবলিক আম-মোক্তারনামা সহিমহর করতে পারবেন। এইভাবে সম্পাদিত আম-মোক্তারনামা শুধু রেজিস্ট্রিকারী অফিসারগণ গ্রহণ করতে পারবেন ।

কোন দলিলের সম্পাদনকারী বা বৈধ প্রতিনিধি যদি উক্ত সম্পাদনের চারি মাসের মধ্যে দলিলটি রেজিস্ট্রিশনের জন্য রেজিস্টরি অফিসে দাখিল না করে, তা হলে রেজিস্ট্রিকারী অফিসার তা এই আইনমতে রেজিষ্ট্রি করবেন না।

তবে শর্ত থাকে যে, সম্পাদনকারী উক্ত সময়ের মধ্যে দলিল না করিবার যােগ্য কারণ প্রদর্শন করতে পারিলে বা রেজিস্ট্রিকারীকে সন্তুষ্ট করতে পারিলে নির্ধারিত জরিমানা প্রদান সাপেক্ষে রেজিস্ট্রিকারী অফিসার উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করতে পারবেন।

রেজিস্ট্রিকারী অফিসারকে কোন দলিল রেজিস্ট্রি করিবার পূর্বে উক্ত দলিলটি প্রকৃত ব্যক্তি কর্তৃক সম্পাদিত হয়েছে কিনা, অথবা মনােনীত ব্যক্তিকে উক্তরূপ ক্ষমতা প্রকৃতপক্ষে প্রদত্ত হয়েছে কিনা তা তদন্ত করিবার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।

তবে শর্ত থাকে যে, এই বিধানসমূহ ডিক্রি বা হুকুমনামার নকলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হবে না।

দলিল সম্পাদনকারী বা সম্পাদনকারিগণ যদি ব্যক্তিগতভাবে রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হয় এবং স্বীকার করে যে, দলিলাটি সে বা তারা সম্পাদন করেছে, তা হলে রেজিস্ট্রি অফিসার উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রি করবেন।

রেজিস্ট্রিকারী অফিসার দলিলটির বৈধতা অথবা তার যথার্থতা প্রতিপাদন করতে পারবেন না। কারণ ইহা নির্ধারণ করিবার ক্ষমতা রেজিস্ট্রি অফিসারের নেই। রেজিস্ট্রি অফিসার শুধু লক্ষ্য এবং তদন্ত করবেন যে, উক্ত দলিলটি যোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক থ্বেচ্ছায় সম্পাদিত হয়েছে কিনা। সুষ্ঠুভাবে সম্পাদিত হয়ে থাকলে তিনি তা রেজিষ্ট্রি করবেন, অন্যথায় না।

 যদি সম্পাদনকারীগণ (যাহাদের দ্বারা দলিলটি সম্পাদিত হওয়া আবশ্যক) উক্ত দলিলটির সম্পাদন অস্বীকার করে বা সম্পাদনকারীগণ যদি আহাম্মক বা মৃত হয় তা হলে রেজিস্ট্রি অফিসার তা রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করতে পারিবে।

যেকোন দাবিদার (দলিলের) যদি অপর কোন ব্যক্তিকে হাজির বা সাক্ষ্য দেওয়াইতে চায় তা হলে উক্ত ব্যক্তি অফিসার বা কোর্টের নিকট এই মর্মে সমন জারি চাহিতে পারবেন।

আদালত প্রয়ােজন মনে করলে অথবা অফিসার প্রয়ােজন মনে করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম-ঠিকানাসহ অফিসে হাজির হবার তারিখ বা সময় উল্লেখ করে নােটিস প্রদান করবেন। যদি কোন ব্যক্তি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয় বা দেওয়ানী অথবা ফৌজদারী কয়েদে আটক থাকে অথবা অন্য কোনভাবে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত হওয়া হতে রেহাই পেয়ে থাকে তা হলে আদালত বা অফিস নিজে উক্ত ব্যক্তিদের নিকট যেয়ে জনাববন্দি গ্রহণ করবেন অথবা কমিশন নিয়ােগ করে জবানবন্দি গ্রহণ করবেন।

যখন কোন ব্যক্তিকে পরীক্ষা করিবার জন্য কমিশন নিয়ােগ করা হয় তখন কাগজপত্র দাখিলের উপর ভিত্তি করে রেজিষ্ট্রেশন করা যাবে না, যতক্ষণ উতক্ত ব্যক্তি সম্পর্কে কমিশন কোন রিপাের্ট না দেন।

কোন দলিল রেজিস্ট্রি না হলে যে সময় হতে কার্যকরী হত রেজিস্ট্রি হলেও তা ঐ সময় হতে কার্যকরী হবে অর্থাৎ সংক্ষেপে বলা যায় যে, কোন দলিল উক্ত দলিলটি সম্পাদনের তারিখ হতে কার্যকরী হবে, তার রেজিষস্ট্রেশনের তারিখ হতে নহে। তবে শর্ত থাকে যে, যদি কোন দলিলের রেজিষ্ট্রেশন অবৈধ হয় তা হলে এই বিধান প্রযােজ্য হবে না।

একজন বিক্রেতা যদি একই সম্পত্তি একাধিক ব্যক্তির নিকট বৈধ জমি রেজিস্ট্রেশন এর মাধ্যমে হস্তান্তর করে তা হলে দুইটি দলিলের যেইটি প্রথমে সম্পাদিত হয়েছে তা আইন গ্রাহ্য হবে।

৭৭ ধারা মতে, মামলা করতে হলে উক্ত অস্বীকৃতি আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে। কোন নাবালক ৩০ দিনের পর এই ধারা মতে মামলা করতে পারিবে না। এইরূপ মামলার রায়ে আদালত উক্ত সম্মতি অর্থাৎ দলিল রেজিস্ট্রি করিবার নির্দেশ দিলে তা রেজিস্ট্রিকরণ আইনে অনুসারে রেজিস্ট্রি করতে হবে।

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশান করবেন ২০২২ এ_ Best Corporate Law Firm In Bangladesh.png

“Tahmidur Rahman Remura is Considered as one of the leading firms in Company Law in Dhaka, Bangladesh”

Bdlawfirms & Carpe Noctem Bangladesh

যদি বাংলাদেশে কোন সাব-রেজিস্ট্রার জমি রেজিষ্ট্রেশনে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন

সম্পাদনের অসম্মতি ব্যতীত অন্য কোন কারণে যদি সাব-রেজিস্ট্রার কোন দলিল রেজিস্টরি করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন তা হলে উক্ত আদেশের ৩০ দিনের মধ্যে তার উর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট এই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে।

সম্পাদনে অসম্মতির কারণে যদি সাব-রেজিস্ট্রার কোন দলিল রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করেন তা হলে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে না। রেজিস্ট্রারের নিকট আপীল করা হলে রেজিস্ট্রার যেই আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে তা রদবদল করতে পারবেন।

রেজিস্ট্রার যদি উক্ত দলিল রেজিস্ট্রিকৃত হবে বলে নির্দেশ দেন তা হলে উক্ত নির্দেশ দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা রেজিষ্ট্রেশনের জন্য সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট দাখিল করতে হবে।

ত্রিশ দিনের মধ্যে যদি উক্ত দলিল সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রিকরণের জন্য দাখিল করা হয় তা হলে সাব-রেজিস্ট্রির উক্ত দলিল এই আইনের আওতায় রেজিস্ট্রি করবেন।

কোন দলিলের সম্পাদনকারী অসম্মতির (সম্পাদনে) কারণে যদি সাব-রেজিস্ট্রার দলিলটি রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করেন তা হলে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি আবেদন করতে পারবেন।

কিন্তু তিনি আপীল করতে পারবেন না। দাবিদারের অবর্তমানে বা অনুপস্থিতিতে তার বৈধ প্রতিনিধি আবেদন করতে পারবেন। নাবালক হিন্দু স্ত্রীর পক্ষে তার স্বামী আবেদন করতে পারবেন।

উক্ত আবেদনের সহিত উক্ত অস্বীকৃতির কারণের নকল সংযুক্ত করে দিতে হবে এবং আবেদনপত্রে আরজির ন্যায় সত্যপাঠ করতে হবে। এই ক্ষেত্রে আবেদনপত্র আরজি হিসাবে গণ্য হবে তামাদি সময় হল ৩০ দিন। অর্থাৎ আদেশের তারিখ হতে ৩০ দিনের মধ্যেই এই ধারার আওতায় আবেদন করতে হবে।

রেজিস্ট্রার যদি সত্তুষ্ট হন যে, উক্ত দলিলটি সত্য সত্যই সম্পাদিত হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সকল পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে তা হলে উক্ত দলিল রেজিস্ট্রি করার নির্দেশ দিবেন।

উক্ত নির্দেশ পাওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে দাবিদার যদি তা জমি রেজিস্ট্রেশন জন্য সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দাখিল করে তা হলে সাব-রেজিস্ট্রার তা রেজিস্ট্রি করবেন।

ইহা আইনত বৈধ জমি রেজিস্ট্রেশন বলে গণ্য হবে এবং তা প্রথম যে তারিখে রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিল করা হয়েছিল সেই তারিখ হতে রেজিস্ট্রি হয়েছে বলে গণ্য হবে।

সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি তার জেলায় অবস্থিত নহে অথবা দলিলটি অন্য সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক রেজিস্ট্রি হবে এই সকল কারণ ব্যতীত রেজিস্ট্রার অন্য কোন কারণে দলিল রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করলে অথবা এই আইনের ৭২ এবং ৭৫ ধারা অনুসারে কোন দলল রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করলে তাকে উক্ত আদেশের কারণসমূহ ২নং বহিতে লিখিয়া রাখতে হবে এবং যতি তাড়াতাড়ি সম্ভাব দাবিদারকে উক্ত কারণের নকল প্রদান করতে হবে।

তবে জমি রেজিস্ট্রেশন এর শর্ত থাকে যে, রেজিস্ট্রারের কোন আদেশের বিরুদ্ধে কোন প্রকার আপীল চলিবে না। যখন কোন রেজিস্ট্রার এই আইনের ৭২ এবং ৭৬ ধারা অনুসারে দলিল রেজিস্ট্রি করিবার আদেশ দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন তখন উক্ত দলিলের দাবিদার বা বৈধ প্রতিনিধি উক্ত অস্বীকৃতির আদেশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।

দলিল রেজিস্ট্রেশনে বাধ্য করিবার জন্য দেওয়ানী আদালতে মামলা দায়ের এই আইনের সংঘটন নহে। তবে শর্ত থাকে, রেজিস্ট্রার যখন ৭২ ধারা মতে, রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেন কেবল সেই ক্ষেত্রে ৭৭ ধারা মতে দেওয়ানী মামলা করা যাবে। স্বাধীনভাবে ৭৭ ধারা অনুসারে দেওয়ানী আদালতে মামলা করা যায় না।

সাব-রেজিস্ট্রার এবং রেজিস্ট্রার কর্তৃক কোন দলিল রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন ৭৭ ধারা মতে দেওয়ানী মামলা করার পূর্বশর্ত।

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশান করবেন ২০২২ এ_ Best Property Law Firm In Bangladesh.png

দলিল রেজিষ্ট্রেশনের নতুন আইনের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসমূহ –

 

রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের বিষয়ঃ  

 

ভূমি হস্তান্তর সংক্রান্ত জাল-জালিয়াতি হ্রাস, একই ভূমি একাধিকবার বিক্রয় বন্ধ করা ও ভূমি সংক্রান্ত মামলা মকদ্দমা হ্রাসের উদ্দেশ্যে সরকার জমি রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত চারটি আইনে (The Registration Act 1908, The Transfer of Property Act 1882, The Specific Relief Act 1877, The Limitation Act 1908) কিছু যুগউপযোগী সংশোধন করা হয়েছে।

জুলাই ২০০৫ হতে উক্ত নতুন বিধিবিধানসমূহ কার্যকর হয়েছে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ রিভিশন সমূহ উল্লেখ করা হল :

(১) জমি রেজিস্ট্রেশন এর ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত দলিলসমূহ অবশ্যই রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে অন্যথায় গ্রহণযোগ্য হবে না

(ক) মুসলিম পারিবারিক আইন মোতাবেক হেবা দলিল।

(খ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী সম্পাদিত বন্ধক দলিল।

(গ) স্থাবর সম্পত্তি অংশীদার বা উত্তরাধিকারদের মধ্যে বণ্টননামা দলিল ।

(ঘ) সম্পত্তি হস্তান্তরের বায়নানামা- এটি লিখত হতে হবে এবং সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে হবে। তবে ১ জুলাই ২০০৫ এর পূর্বে সম্পাদিত বায়নানামা ৩১ ডিসেম্বর ২০০৫ এর মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে হবে।

   (২) দলিল সম্পাদনের ৩ মাসেের মধ্যে রেজিস্ট্রি করতে হবে।

   (৩) উত্তরাধিকার ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে অবশ্যই বিক্রেতার নাম সর্বশেষ প্রকাশিত খতিয়ানে থাকতে হবে। প্রয়ােজনে নামজারির মাধ্যমে বিক্রেতার নাম খতিয়ানে অন্তর্ভক্ত করতে হবে। অন্যথায় জমি হস্তান্তর করলেও তা বাতিল হবে।

(৪) উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে বিক্রেতার বা বিক্রেতা যার ওয়ারিশ তার নাম খতিয়ানে থাকতে হবে।

(৫) সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমের কলামসূহ যথাযথভাবে পুরণপূর্বক দলিল সম্পাদন করতে হবে। উক্ত ফরমেট ব্যতীত দলিল সম্পাদন বৈধ হবে না।

(৬) দলিলের ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ের ছবি সংযুক্ত করতে হবে ও বাম হাতের বৃদ্ধাঙুলির ছাপ দিতে হবে।

(৭) দলিলে জমির প্রকৃতি, বাজার মূলয, জমির দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও চৌহদ্দির বর্ণনা থাকতে হবে।

(৮) কমপক্ষে পূর্বের ২৫ বছরের সংক্ষিপ্ত মালিকানার ক্রমবর্ণনা বায়া দলিল নং ও তারিখ ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে।

(৯) সম্পত্তি হস্তান্তরকারী/ বিক্রেতা কর্তৃক সম্পাদিত দলিলে এই মর্মে এফিডেফিট করতে হবে যে, তিনি উক্ত জমির আইনসংগত মালিক এবং ইতােপূর্বে তিনি অন্য কোথাও উক্ত জমি হস্তান্তর/বিক্রয় করেননি।

(১০) বায়নাকৃত কোন স্থাবর সম্পত্তি উক্ত বায়নাচুক্তি আইনসংগতভাবে বাতিল না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোথাও হস্তান্তর করা যাবে না, করলেও তা অকার্যকর হবে।

(১১) প্রত্যেক বায়নানামায় তার মেয়াদ উল্লেখ করতে হবে। তবে কোন মেয়াদ উল্লেখ না থাকলে সম্পাদনের তারিখ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত তা কার্যকর থাকবে।

(১২) কান বন্ধকী সম্পত্তি বন্ধকগ্রহীতার লিখত অনুমতি ব্যতীত বিক্রয়, হস্তান্তর বা পুন:বন্ধক দেয়া যাবে না।

(১৩) মুসলিম আইন অনুযায়ী স্বামী-স্ত্র মধ্যে, পিতা-মাতা ও সন্তানদের মধ্যে দাদা-দাদি ও নাতি-নাতনীর, মধ্যে, আপন ভাইদের মধ্যে, আপন বােনদের মধ্যে, আপন ভাই ও বােনদের মধ্যে সম্পদিত বা দলিলের ক্ষেত্রে রেজিষ্ট্রেশন ফি হবে মাত্র একশত টাকা

(১৪) তামাদি আইন অনুযায়ী তামাদির সময়সীমা ৩ (তিন) বছরের পরিবর্তে ১ (এক) বছর করা হয়েছে।

জমির হিস্যা লেখার পদ্ধতি :

জমির পুরনাে দিনের রেকর্ড বা খতিয়ানে এবং হস্তান্তর দলিলের তফসিলের মালিকের জমির অংশ বা হিস্যা বিভিন্নভাবে (এককে) লেখার প্রচলন দেখা যায়, যেমন-আনা, কড়া, ক্রান্তি, গণ্ডা ইত্যাদি। বর্তমানে একক আধুনিক পদ্ধতিতে অর্থাৎ সহস্রাংশে (দশমিক দিয়ে) লেখা হয়। 

ভূমি হস্তান্তর সংক্রান্ত জাল-জালিয়াতি হ্রাস, একই ভূমি একাধিকবার বিক্রয় বন্ধ করা ও ভূমি সংক্রান্ত মামলা মকদ্দমা হ্রাসের উদ্দেশ্যে সরকার রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত চারটি আইনে (The Registration Act 1908, The Transfer of Property Act 1882, The Specific Relief Act 1877, The Limitation Act 1908) কিছু যুগউপযোগী সংশোধন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ এ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি

কিভাবে বাংলাদেশ এ আপনি আপনার প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলবেন?

আপনারা যদি একটি কোম্পানি খুলতে চান তার বিশদ বিবরণ এই পোস্টটি তে আছে।
বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশান করবেন ২০২২ এ_ Tahmidur Rahman Best Law Firm In Bangladesh.png

তাহমিদুর রহমান সিএলপি কর্তৃক জমি রেজিস্ট্রেশান সম্পর্কিত আইনী সেবা:

ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান: সিএলপি একটি সনামধন্য ‘ল’ চেম্বার যেখানে ব্যারিস্টারস এবং আইনজীবীদের মাধ্যমে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন সম্পর্কিত সকল প্রকার আইনগত সহায়তা, পরামর্শ প্রদান করে থাকে। কোন প্রশ্ন বা আইনী সহায়তার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ-ই-মেইল: [email protected] ফোন: +8801847220062 or +8801779127165 , ঠিকানা: জামিলা ভিলা, ফ্ল্যাট-২সি, বাসা-৪/এ/১ (তৃতীয় তল), রোড-০২, গুলশান -১, ঢাকা-১২১২।

How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022_ Overseas Financing For Bangladeshi Companies_ The Most Complete Guideline For Foreign Loans_Best Company Law Firm In Bangladesh

জমি রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কিত প্রশ্ন

বাংলাদেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো কি কি?

1. CS -Cadastral Survey

2. SA- (1956)

3. RS -Revitionel Survey

4. PS – Pakistan Survey

5. BS- Bangladesh Survey (1990)

ক) সি.এস. জরিপ/রেকর্ড (Cadastral Survey)a

“সিএস” হলো Cadastral Survey (CS) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। একে ভারত উপমহাদেশের প্রথম জরিপ বলা হয় যা ১৮৮৯ সাল হতে ১৯৪০ সালের মধ্যে পরিচালিত হয়। এই জরিপে বঙ্গীয় প্রজাতন্ত্র আইনের দশম অধ্যায়ের বিধান মতে দেশের সমস্ত জমির বিস্তারিত নকশা প্রস্তুত করার এবং প্রত্যেক মালিকের জন্য দাগ নম্বর উল্লেখপুর্বক খতিয়ান প্রস্তুত করার বিধান করা হয়। প্রথম জরিপ হলেও এই জরিপ প্রায় নির্ভূল হিসেবে গ্রহণযোগ্য। মামলার বা ভূমির জটিলতা নিরসনের ক্ষেত্রে এই জরিপকে বেস হিসেবে অনেক সময় গণ্য করা হয়।

খ) এস.এ. জরিপ (State Acquisition Survey)

১৯৫০ সালে জমিদারী অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন পাশ হওয়ার পর সরকার ১৯৫৬ সালে সমগ্র পূর্ববঙ্গ প্রদেশে জমিদারী অধিগ্রহনের সিদ্ধান্ত নেয় এরং রায়েতের সাথে সরকারের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপনের লক্ষ্যে জমিদারদের প্রদেয় ক্ষতিপুরণ নির্ধারন এবং রায়তের খাজনা নির্ধারনের জন্য এই জরিপ ছিল। জরুরী তাগিদে জমিদারগন হইতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই জরিপ বা খাতিয়ান প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছিল।

গ) আর.এস. জরিপ ( Revisional Survey)

সি. এস. জরিপ সম্পন্ন হওয়ার সুদীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরিচালিত হয়। জমি, মলিক এবং দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বেও ভুল ত্রুটি সংশোধনক্রমে আ. এস জরিপ এতই শুদ্ধ হয় যে এখনো জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের ক্ষেত্রে আর, এস জরিপের উপর নির্ভর করা হয়। এর খতিয়ান ও ম্যাপের উপর মানুষ এখনো অবিচল আস্থা পোষন করে।

ঘ) সিটি জরিপ (City Survey)

সিটি জরিপ এর আর এক নাম ঢাকা মহানগর জরিপ। আর.এস. জরিপ এর পর বাংলাদেশ সরকার কর্তিক অনুমতি ক্রমে এ জরিপ ১৯৯৯ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। এ যবত কালে সর্বশেষ ও আধুনিক জরিপ এটি। এ জরিপের পরচা কম্পিউটার প্রিন্ট এ পকাশিত হয়।

জমি রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কি কি প্রয়োজন হয় ?

রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কিছু তথ্যের প্রয়োজন হয়।
জমি রেজিস্ট্রি করতে বিক্রিত জমির পূর্ণ বিবরণ উল্লেখ থাকতে হবে।
দলিলে দাতা-গ্রহীতার পিতা-মাতার নাম, পূর্ণ ঠিকানা এবং সাম্প্রতিক ছবি সংযুক্ত করতে হবে।
যিনি জমি বিক্রয় করবেন তার নামে অবশ্যই নামজারী (মিউটেশন) থাকতে হবে (উত্তরাধিকার ছাড়া)।
বিগত ২৫ বছরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ ও সম্পত্তি প্রাপ্তির ধারাবাহিক ইতিহাস লেখা থাকতে হবে।
সম্পত্তির প্রকৃত মূল্য, সম্পত্তির চারদিকের সীমানা, নকশা দলিলে থাকতে হবে।
দাতা কর্তৃক বিক্রিত সম্পত্তি অন্য কারো কাছে বিক্রি করেনি মর্মে হলফনামা থাকতে হবে।
জমির পর্চাসমূহে (সি.এস, এস. এ, আর.এস) মালিকানার ধারাবাহিকতা থাকতে হবে।
বায়া দলিল (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে) থাকতে হবে।

বিভিন্ন প্রকার দলিল রেজিস্ট্রেশনের জন্য কি পরিমাণ ফিসের প্রয়োজন হয় ?

দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় রেজিস্ট্রেশন আইন,স্ট্যাম্প আইন, আয়কর আইন, অর্থ আইন ও রাজস্ব সংক্রান্ত বিধি এবং পরিপত্রের আলোকে। সকল দলিলের রেজিস্ট্রি ফিস সমান নয়। সরকার বিভিন্ন সময় সমসাময়িক বিবেচনা অনুযায়ী রেজিস্ট্রি ফিস নির্ধারণ করে থাকেন।

জমি এর ক্ষেত্রে কর দেয়ার কি নিয়ম ?

ভ্যাট ও উৎস কর সব সময়ই জমির বিক্রেতা প্রদান করবে। আয়কর আইন মতে, এই দুই ধরণের কর বিক্রেতার আয়ের ওপর ধার্য হয়। এই কর বিক্রেতার নামে সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হয়। 


উৎস কর ও ভ্যাট ছাড়া অন্যান্য সকল ধরণের কর জমির ক্রেতাকে পরিশোধ করতে হবে।

সাব রেজিস্ট্রারের পরামর্শে ফজর আলী তার জমি রেজিস্ট্রি করে। এর ফলে তিনি জমি বেদখল হবার জটিলতা থেকে রক্ষা পায়।

জমি রেজিস্ট্রেশন কোথায় করা হয়? জমি ক্রয় করলে যাচাই বাছাইয়ের জন্য কোথায় যেতে হবে?

প্রতিটি উপজেলায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিস আছে। সেখানে জমি রেজিস্ট্রি করা হয়।

জমি ক্রয় করলে যাচাই বাছাইয়ের জন্য কোথায় যেতে হবেঃ 

ইউনিয়ন ভূমি অফিস ও উপজেলা ভূমি অফিসে বিক্রিত জমির তফসিল নিয়ে জমিটি আগে বিক্রি হয়েছে কিনা, আগে অন্য কারো নামে নামজারী আছে কিনা, বিক্রয়ে উল্লেখিত দাগ, খতিয়ান, নকশা ঠিক আছে কিনা এবং সর্বোপরি সরেজমিনে বিক্রিত জমি আছে কিনা তার খোঁজ পাওয়া যাবে। প্রয়োজনে ভূমি অফিস থেকে সার্ভেয়ার (আমিন) নিয়ে জমি মেপে জমি ক্রয় করতে হবে।

বন্ধকী দলিল রেজিস্ট্রি ফি কত?

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর ৫৯ ধারা মতে বন্ধকী দলিলের রেজিস্ট্রেশন ফি হলো-
ক. বন্ধকী সম্পত্তির অর্থের পরিমাণ ৫ লাখ টাকার বেশি না হলে অর্থের ১%, তবে ২০০ টাকার কম নয় এবং ৫০০ টাকার বেশি নয়। যেমন: কোন সম্পত্তির পরিমাণ বিশ হাজার টাকা হলে ১% হিসেবে রেজিস্ট্রেশন ফি ২০০ টাকা, কিন্তু কোন সম্পত্তির পরিমাণ দশ হাজার টাকা হলে ১% হিসেবে রেজিস্ট্রেশন ফি ১০০ টাকা। আইনে সর্বনিম্ন ফি ২০০ টাকা হওয়ায় দশ হাজার টাকা পরিমাণের বন্ধকী জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি ২০০ টাকা-ই হবে (১০০ টাকা নয়)। একইভাবে চার লক্ষ টাকা পরিমাণের জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি ১% হিসেবে ৪০০০ টাকা কিন্তু আসলে ফি দিতে হবে ৫০০ টাকা কেননা আইনে সর্বোচ্চ ফি ধরা হয়েছে ৫০০ টাকা।
খ. বন্ধকী সম্পত্তির অর্থের পরিমাণ ৫ লাখ টাকার বেশি এবং ২০ লাখ টাকার বেশি না হলে অর্থের ০.২৫%, তবে ১৫০০ টাকার কম নয় এবং ২০০০ টাকার বেশি নয়।
গ. বন্ধকী সম্পত্তির অর্থের পরিমাণ ২০ লাখ টাকার বেশি হলে বন্ধকী অর্থের ০.১০% টাকা হারে,তবে ৩০০০ টাকার কম নয় এবং ৫০০০ টাকার বেশি হবে না।
এ কথা মনে রাখতে রেজিস্ট্রেশন আইন ২০০৪ এর সংশোধন অনুযায়ী বন্ধকী সম্পত্তি গ্রহীতার লিখিত সম্মতি ছাড়া কোন বন্ধক দেয়া যাবে না এবং বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি করা যাবে না।
কবলা বন্ধকী দলিল রেজিস্ট্রি ফিঃ 
ক. স্ট্যাম্প শুল্ক ক্রয়মূল্যের....................৫%
খ. রেজিস্ট্রি ফি ১-২৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয়মূল্যের জন্য টাকা...........................................৫০/-
গ. রেজিস্ট্রি ফি ২৫০১-৪০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয়মূল্যের জন্য ............................................২%
ঘ. রেজিস্ট্রি ফি ৪০০১ হতে তদুর্ধ্ব বিক্রয়মূল্যের জন্য......................................................২.৫০%
ঙ. হলফনামা ফি টাকা..........................................................................................৫০/-
চ. পৌরকর: সিটি কর্পোরেশন/পৌর/টাউন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার জন্য.............................১%
ছ. উৎস কর: সিটি কর্পোরেশন/পৌর/টাউন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার জন্য............................৫%
জ. সিটি কর্পোরেশন/পৌর/টাউন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকা বর্হিভূত জমি বিক্রির
ক্ষেত্রে জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ কর (১
ঝ. সিটি কর্পোরেশন/পৌর/টাউন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বর্হিভূত এলাকার ১ লাখ
টাকার অধিক মূল্যের অকৃষি জমি বিক্রির ক্ষেত্রে বিক্রেতার উৎস কর.....................................৫%
ঞ. মওকুফ: সিটি কর্পোরেশন/পৌর/টাউন/ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার বাইরের ১ লাখ টাকার নিচে অকৃষি জমি ও অন্যান্য কৃষি/ভিটি/নামা ইত্যাদি) জমি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে পৌর কর ও উৎস কর দিতে হবে না। কিন্তু জমি বিক্রির মূল্য ১ লাখ টাকার বেশি হলে, জমিটি অকৃষি হলে সে জমি পৌর এলাকার বাইরে হলেও তার জন্য ভ্যাট পরিশোধ করতে হবে.........................................................................৫%

স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের বায়না দলিল ফি কত?

হেবা দলিলের রেজিস্ট্রি ফিঃ

ক. বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তির বিক্রয়মূল্য ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে রেজিস্ট্রি ফি হবে ৫০০ টাকা।

খ. বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তির বিক্রয়মূল্য ৫ লাখ টাকার বেশি এবং ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত হলে রেজিস্ট্রি ফি হবে ১০০০ টাকা।

গ. বিক্রয়যোগ্য সম্পত্তির বিক্রয়মূল্য ৫০ লাখ টাকার বেশি হলে রেজিস্ট্রি ফি হবে ২০০০ টাকা।

হেবা দলিলের রেজিস্ট্রি ফিঃ

মুসলিম পারসোনাল ল’ অনুযায়ী স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান, দাদা-দাদী, নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বোন-বোন, সহোদর ভাই-বোনের মধ্যে হেবা বা দান দলিলের রেজিস্ট্রি ফি মাত্র ১০০ টাকা।

জমি বিক্রয় করতে জমি বিক্রেতার নামে নামজারী কি জরুরি?

উত্তরাধিকার সূত্রে সম্পত্তি ছাড়া সকল সম্পত্তি বিক্রয় করার ক্ষেত্রে দাতার নামে নামজারী বাধ্যতামূলক।

বাংলাদেশে পরিচালিত ভূমি জরিপ বা রেকর্ড গুলো কি কি?

ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হ তাকে“মাঠ পর্চা”বলে। 

এইমাঠ পর্চারেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে তা শোনানির পর খতিয়ান চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে“পর্চা”বলে।

জমির “মৌজা” কি? জমির “তফসিল” কাকে বলে?

যখন CS জরিপ করা হয় তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে। আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে মৌজা বলে।

“তফসিল” কাকে বলে?

জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত বিবরণকে “তফসিল” বলে।

ঈনফো-গ্রাফিক্স

বাংলাদেশে জমি রেজিস্ট্রেশান আইন এবং কিভাবে জমি রেজিস্ট্রেশান করবেন ২০২২ এ_ Best Law Firm In Bangladesh.png

Finance

Investment

জমি রেজিস্ট্রেশন আইন বাংলাদেশ

Mediation in Bangladesh

Mediation in Bangladesh: A Complete OverviewBarrister Remura MahbubDirector, Tahmidur Remura TLS, Law Firm in Bangladesh12 Nov 2022The purpose of this article is to explain the entire process of mediation in Bangladesh: provisions that regulate mediation, step...

Joint Ventures in Bangladesh

Joint Ventures in Bangladesh: Types, Formation, and AgreementsBarrister Remura MahbubDirector, Tahmidur Remura TLS, Law Firm in Bangladesh10 Nov 2022The purpose of this article is to provide an in-depth overview of joint ventures (JV) in Bangldesh: types of...

VAT registration and enlistment in Bangladesh

VAT registration and enlistment in Bangladesh Every company in the country must have a unique Business Identification Number (BIN). A business must first obtain a VAT registration certificate before applying for a BIN. The annual turnover of a business determines...

VAT agent in Bangladesh

When and why is a VAT agent required in Bangladesh? A non-resident entity that conducts business in Bangladesh but does not have a fixed place of business must appoint a VAT Agent in Bangladesh, according to the Value Added Tax and Supplementary Duty Act, 2012, and...

Warisan and Succession Certificate in Bangladesh

Warisan and Succession Certificate in Bangladesh Warisan and Succession Certificate in Bangladesh is a vital document used to identify the heirs or successors of a deceased person. The Warisan Certificate is issued by the Ward Councilor's Office in the City...

How to get a Portugal Passport from Bangladesh

Portugal Passport By Investment The three most common routes to Portuguese citizenship for expats are outlined below. 1. Portuguese Passport By means of Marriage: After three years of marriage to a Portuguese citizen, one can acquire Portuguese citizenship through...

PI Visa for foreign investor in Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh • In order to apply for a work permit, foreign investors and employees must hold a PI (private investor) or E2/E3 (employment) VISA. • BIDA issues a letter of recommendation for obtaining a PI and E2/E3 VISA. • VoAs may be...

A complete guide on Franchise Business Registration in Bangladesh

Bangladesh is the seventh largest consumer of goods and services in the world. In Bangladesh, franchising is an established method for launching a business. The industries of transportation, beauty, fast food, education, wellness, mail delivery, clothing, and health...

How to form an Association in Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh abd Section 28 of the 1994 Companies Act: Under section 28 of the Companies Act, a nonprofit organization may incorporate as a corporation. This Association will enjoy all the advantages of a limited liability company, but it...

F-1 Student Visa from Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh: The most common visa for students wishing to study in the United States is the F-1 student visa. It is a temporary visa for foreign students who wish to study at an accredited school or college in the United States. The United States...
Pi Visa For Foreign Investor In Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh • In order to apply for a work permit, foreign investors and employees must hold a PI (private investor) or E2/E3 (employment) VISA. • BIDA issues a letter of recommendation for obtaining a PI and E2/E3 VISA. • VoAs may be...

How To Form An Association In Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh abd Section 28 of the 1994 Companies Act: Under section 28 of the Companies Act, a nonprofit organization may incorporate as a corporation. This Association will enjoy all the advantages of a limited liability company, but it...

Traffic And Road Laws In Bangladesh

Traffic and Road laws in Bangladesh

Traffic and Road laws in Bangladesh The administration of traffic and enforcement of traffic laws in Bangladesh have always been a mess. Our nation's road construction has never been able to keep up with the rapid increase of vehicles. In recent years, however, the...

F-1 Student Visa From Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh: The most common visa for students wishing to study in the United States is the F-1 student visa. It is a temporary visa for foreign students who wish to study at an accredited school or college in the United States. The United States...

K-2 Visa For Children Of Us Citizens

K-2 Visa for Children of US Citizens

K-2 Visa for Children of US Citizens A K-2 visa allows the children of a K-1 fiance visa holder to enter the United States until an immigrant visa becomes available. To be eligible for one of these nonimmigrant visas, the applicant must be under the age of 21 and the...

চেক ডিসঅনার মামলা | কিভাবে চেক প্রতারনায় প্রতিকার পাবেন ২০২২ এ

চেক ডিসঅনার মামলা | কিভাবে চেক প্রতারনায় প্রতিকার পাবেন ২০২২ এ

চেক ডিসঅনার মামলা | কিভাবে চেক প্রতারনায় প্রতিকার পাবেন ২০২২ এ | Effective Solutions to Cheque Dishonour in 2022

11 Jan 2022

Best Advocate Lawyer Barrister In Bangladesh

তাহমিদুর রহমান, Director and Senior Associate

চেক ডিসঅনার মামলা এবং প্রতিকার – চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল হল একটি কাগজের টুকরো যা একজন ব্যক্তিকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করে এবং শুধুমাত্র অর্পণের মাধ্যমে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে স্থানান্তরিত হয়। এই পোস্টটিতে আমরা চেক ডিসঅনার অথবা বাউন্স করলে আপনারা কি করতে পারেন তা নিয়ে বিশদ পর্যালোচনা করব। 

Table of Contents

Find the subsections below, If you want to jump through specific sections instead of reading the whole article.

চেক-ডিসঅনার-মামলা-_-Best-Company-Law-Firm-In-Bangladesh-2

চেক ডিসঅনার কি? চেক ডিসঅনার মামলা 

ঋণ বা বাধ্যবাধকতা নিষ্পত্তি করার জন্য দৈনন্দিন জীবনে চেক ব্যবহার করা হয়। তবে, অনেক ক্ষেত্রে, চেকের প্রাপককে চেক প্রদানকারী অর্থ প্রদান করতে অক্ষম হয় যদি চেকের উপর বর্ণিত পরিমাণ ইস্যুকারীর ( চেক প্রদানকারীর) অ্যাকাউন্টে না থাকে। অপর্যাপ্ত তহবিলের জন্য চেকটি ব্যাংক প্রত্যাখ্যান করে। এই ঘটনাটি চেক ডিজঅনার নামে পরিচিত।

কি কারনে চেক ডিসঅনার হাতে পারে

কখন এবং কি কারণে একটি চেক ডিসঅনার হাতে পারে পারে?

  • ব্যাংক হিসাবে আপনার যদি তহবিল বা অর্থের অভাব হয়। এবং যখন চেক এর উল্লিখিত অর্থ আপনার ব্যাংক এর বর্ণিত পরিমাণের চেয়ে কম।
  • যিনি চেক ইস্যু করেছেন তার স্বাক্ষর না মিললে ।
  • চেকে উল্লিখিত পরিমাণ এবং পরিমাণের মধ্যে পার্থক্য থাকলে।
  • চেকের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে।
  • চেক সঠিকভাবে সম্পন্ন না হলে।
  • চেকে ঘষামাজা করলে অথবা চেক পরিবর্তন করলে।

 

চেক ডিসঅনার মামলা | কিভাবে চেক প্রতারনায় প্রতিকার পাবেন ২০২২ এ | Effective Solutions To Cheque Dishonour In 2022

কখন একটি চেক অসম্মানজনক অথবা ডিসঅনারড বলে বিবেচিত হয়?

 

যদি চেকটি ইস্যু তারিখের ৬ মাসের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে জমা করা হয় এবং ব্যাংকে চেকের সমপরিমাণ টাকা সেই একাউন্টে না থাকার কারণে ব্যাংক চেকটি প্রত্যাখ্যান করে, তবে চেকটি বিতরণযোগ্য হবে না। ব্যাঙ্ক একটি নথি জারি করবে যে আপনি কেন অসম্মান করেছেন।

এ ক্ষেত্রে আপনি যদি চেক ইস্যু করার তারিখের ৬ মাসের মধ্যে ব্যাঙ্কে যান এবং চেকটি রিডিম করেন, আপনি দেখতে পাবেন যে চেকটি অনার এর জন্য দেওয়া হয়নি কিন্তু ফেরত দেওয়া হয়েছে, এবং আপনার এই আইনের অধীনে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের অর্থাৎ চেক ডিসঅনার মামলা করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।

অর্থাৎ, আপনার নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে, অর্থাৎ চেক ইস্যু করার তারিখ থেকে ৬ মাসের মধ্যে নগদীকরণের জন্য চেকগুলি অবশ্যই ব্যাঙ্কে জমা দিতে হবে।

পরবর্তীতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে অপর্যাপ্ত অর্থের কারণে, আপনাকে অবশ্যই চেকের অসম্মানের ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ প্রদানের জন্য চেক প্রদানকারীকে আইনি নোটিশ দিতে হবে।

যদি চেক প্রদানকারী নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে চেক প্রদানকারীকে চেকটিতে উল্লেখিত পরিমাণ অর্থ প্রদান না করে, তাহলে চেক প্রাপক একটি প্রক্রিয়া দায়ের করতে পারেন।

সংক্ষেপে প্রয়োজনীয় তিনটি ধাপ:

  • এই পদক্ষেপের ৩০ দিনের মধ্যে, আপনাকে অবশ্যই একটি নোটিশ সহ চেক প্রদানকারীকে অবহিত করতে হবে এবং অর্থপ্রদানের জন্য আহবান করতে হবে।
  • চেক দাতা সময়মতো চেকর অর্থ দেবে বা নোটিশ এর যথাযথ উত্তর আপনাকে জানাবেন।
  • যদি তিনি অর্থ প্রদান না করেন বা উনার অজুহাত আপনার কাছে উপযুক্ত মনে না হয়, তাহলে আপনি পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে স্থানান্তরযোগ্য নথি আইন, 181 এর ধারা 138 এর অধীনে একটি মামলা করতে পারেন৷
চেক-ডিসঅনার-মামলা-_-Cheque-Bounce-Law-Firm-In-Bangladesh-2

চেক প্রতারনায় প্রতিকার ও চেক ডিসঅনার মামলা 

নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট (এনআই অ্যাক্ট) এর ধারা 138, 140 এবং 141 যদি একটি চেক প্রত্যাখ্যান করা হয় বা অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে অর্থ প্রদান না করা হয় তবে ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা অর্থাৎ চেক প্রতারনায় প্রতিকার প্রদান করে।

কিভাবে নোটিশ দেবেন?

আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকলে এবং আপনার চেক অসম্মানজনক হলে, আপনাকে অবশ্যই চেক প্রদানকারীকে একটি বিধিবদ্ধ নোটিশ দিতে হবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে অর্থ প্রদান করতে হবে।

লিগ্যাল নোটিশ তিন ভাবে দেওয়া যেতে পারে।

  • নোটিশ গ্রহিতার হাতে সরাসরি নোটিশ প্রদান করে।
  • ডাকযোগে চেক প্রদানকারীর ঠিকানায় এবং সর্বশেষ বসবাসের ঠিকানায় প্রাপ্তি স্বীকারপত্র সহ নোটিশ প্রদান করে।
  • সর্বশেষ কোনো জাতীয় বাংলা দৈনিকে নোটিশটি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে।এ তিন পদ্ধতির যে কোন একটা পদ্ধতি অনুসরণ করলে হবে।

 

একটি চেক ডিসঅনার মামলা দায়ের করতে আদালতে যে সকল কাগজ পত্র জমা দিতে হবে

  • চেক ইস্যুর তারিখ
  • ইস্যুকারির নাম ও তথ্য / কোন কোম্পানি হলে তার বিস্তারিত তথ্য
  • চেক ডিজঅনার হবার তারিখ
  • চেকের বিস্তারিত তথ্য [ব্যাংকের নাম, শাখা, হিসেব নম্বার, চেক নম্বর]
  • উল্লেখিত টাকার পরিমান
  • মূল চেক
  • ডিজঅনারের রসিদ
  • আইনি নোটিশ বা বিজ্ঞপ্তির কপি
  • পোস্টাল রসিদ – প্রাপ্তি রসিদ
  • চেক লেনদেন সম্পর্কিত তথ্য [যদিও সব সময় জরুরী নয়]
চেক ডিসঅনার মামলা |বাংলাদেশ এ আপনি আপনার প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি

মনে রাখবেন, একবার চেক অসম্মান করা হলে, একটি অপরাধ সংঘটিত হয়। যদি, কোনো কারণে, আপনি প্রথম চেকটি পরিশোধ করতে অস্বীকার করার ৩০ দিনের মধ্যে নোটিশ পাঠাতে অক্ষম হন,তাহলে দ্বিতীয়বার চেকটি ডিজঅনার করাতে পারেন। এভাবে একাধিক বার ডিজঅনার করিয়ে নোটিশ পাঠাতে পারেন।

তবে একবার চেক ডিজঅনার হলে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা করা হলে এক অপরাধের জন্য বারবার মামলা করা যাবে না।

মনে রাখবেন যে আপনাকে অবশ্যই একটি সময়মত এবং উপযুক্ত পদ্ধতিতে আইনি নোটিশ পাঠাতে হবে। এটি করার জন্য, আপনার একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর প্রয়োজন হবে, প্রয়োজনে আপনি আমাদের পেশাদার পরিষেবাগুলি গ্রহণ করতে পারেন৷ মনে রাখবেন, আপনাকে দ্রুত এবং সঠিকভাবে আইনি নোটিশ পাঠাতে হবে৷

How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022| Overseas Financing For Bangladeshi Companies| The Most Complete Guideline For Foreign Loans_Best Company Law Firm In Dhaka

“Tahmidur Rahman Remura is Considered as one of the leading firms in Company Law in Dhaka, Bangladesh”

Bdlawfirms & Carpe Noctem Bangladesh

চেক ডিজঅনার হলে কোথায় মামলা করবেন :

অভিযোগ বা নালিশি মোকাদ্দমা  হিসেবে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এবং যদি মেট্রোপলিটন এলাকার  হয় তার জন্য চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে। মামলা দায়ের করার সময় আদালতে মূল চেক, ডিজঅনারের রশিদ, লিগ্যাল নোটিশ, পোস্টাল রশিদ, প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ আদালতে প্রদর্শন করতে হবে।

 

এসবের ফটোকপি ফিরিস্তি আকারে মামলার আরজীর সঙ্গে আদালতে জমা করতে হবে। আদালত মোকাদ্দমাটি গ্রহন করলে বিবাদীর নামে সমন অথবা ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা গ্রহন করলেও মামলাটি মূল বিচার করা হয় দায়রা আদালতে।

 

চেক ডিজঅনার মামলা এ অপরাধের শাস্তি :

চেক ডিজঅনার মামলা এ শাস্তি হচ্ছে, এক বছর মেয়াদ পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা চেকে বর্ণিত অর্থের তিন গুণ পরিমাণ অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে ও দণ্ডিত হতে পারে।

এখন প্রশ্ন হল চেক ডিস-অনারের শাস্তি যদি চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা হয়,তাহলে টাকাটা কে পাবে?

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন,১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে,উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদণ্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদূর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদণ্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।

 

চেক-ডিসঅনার-মামলা-_-কিভাবে-চেক-প্রতারনায়-প্রতিকার-পাবেন-২০২২-এ-2

চেকের মামলা থেকে বাচতে চাইলে কি করতে হবে?

অনেক সময় যখন আমরা একটি অবাঞ্ছিত চেক ডিজঅনার মামলা তে জড়িয়ে পড়ি, তখন আমাদের নিজেদের রক্ষা করতে কঠিন সময় যায়।

সুতরাং এ বিষয়গুলো আমাদের খেয়াল রাখতে হবেঃ

 

  • এমনকি আপনি যদি খুব কাছের ব্যক্তি বা অফিস আপনার কাছে চান তবুও অন্যের কাজের জন্য চেক দেয়া যাবে না।
  • চেকবুকটি সাবধানে পাতা গুনে রাখতে হবে কোন বই বা পাতা হারারে সাথে সাথে ব্যাংকে জানাতে হবে এবং জিডি করতে হবে। 
  • যেখানে সম্ভব, অ্যাকাউন্ট পেচেক ব্যবহার করা আবশ্যক, ব্যবসার ক্ষেত্রে ব্যবসা একাউন্ট ব্যবহার করতে হবে এবং ব্যবসায়ীক একাউন্টে লেনদেন করতে হবে।
  • চেকের তারিখটি খুব সচেতনভাবে দিতে হবে এবং সেই তারিখটি মাথায় রেখে হিসাব পরীক্ষা করতে হবে।
  • যেকোন লেনদেনের জন্য চালান রাখতে হবে।
  • যদি বিপদে পরেই যান তবে দ্রুত একজন যোগ্য উকিলের সাহায্য নিয়ে বিষয়টি সমাধান করতে হবে।

অন্নান্য আইনে চেক ডিসঅনারের মামলা

হস্তান্তরযোগ্য নথি আইন ১৮৮১ বলবৎ রয়েছে, তবে আইনি সীমাবদ্ধতার কারণে, আইনটি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং নতুন এবং যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন করা হয়েছে।

যার নাম দেয়া হয়েছে বিনিময়যোগ্য দলিল আইন, ২০২০ (এখানে ক্লিক করে খসড়া আইনটি দেখে নিন) এবং এই আইনটির খসড়া গত ১৫ জানুয়ারি ২০২০ এ অর্থ মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে। এই আইনে চেক ডিসঅনার হলে ৬ মাস থেকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং সর্বোচ্চ ৪ গুন পর্যন্ত অর্থ দণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

যখনি খসড়া আইনটি একটি পূর্ণাঙ্গ আইনের মর্যাদা পাবে, আমরা আপনাকে এই আইনের বিশদ বিবরণ প্রদান করব; ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের সাথে থাকুন.

ধরুন, কোনো কারণে এই আইনের অধীনে চেকের মামলাটি সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করা সম্ভব হয়নি, বা ধরে নেওয়া হয়েছিল যে অর্থ উদ্ধার করা যাবে না। উদাহরণ স্বরূপ,

ক) ৬ মাসের মধ্যে মামলা না হওয়ায় এ আইনে মামলাটি গ্রহণ করা হয়নি।
খ) এই আইনের অধীন কার্যধারা চলাকালে অভিযুক্তের/ বিবাদীর মৃত্যু হয়।

এই ধরনের পরিস্থিতিতে আরও দুটি বিকল্প খোলা আছে।

১) দন্ডবিধির অধীনে মামলা করা: দন্ডবিধি ৪০৬ ও ৪২০ ধারা  (প্রতারণা) অনুসারে ফৌজদারি মামলা করা যায়। কিন্তু এসব মামলার ক্ষেত্রে টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ নেই। দোষী সাব্যস্ত হলে সাত বছর পর্যন্ত কারাদন্ড ও জরিমানা হতে পারে।
২) দেওয়ানী মামলা করা: চেকের সম্পূর্ণ টাকা আদায় না হলে পরবর্তীতে এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে দেওয়ানী মামলা করা যাবে।

 

বাংলাদেশ এ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি

কিভাবে বাংলাদেশ এ আপনি আপনার প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি খুলবেন?

আপনারা যদি একটি কোম্পানি খুলতে চান তার বিশদ বিবরণ এই পোস্টটি তে আছে।

ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান রিমুরা কর্তৃক চেক ডিসঅনার মামলা সম্পর্কিত আইনী সেবা:

ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান: সিএলপি একটি সনামধন্য ‘ল’ চেম্বার যেখানে ব্যারিস্টারস এবং আইনজীবীদের মাধ্যমে চেক ডিসঅনারের মামলা সম্পর্কিত সকল প্রকার আইনগত সহায়তা, পরামর্শ প্রদান করে থাকে। কোন প্রশ্ন বা আইনী সহায়তার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করুনঃ-ই-মেইল: [email protected] ফোন: +8801847220062 or +8801779127165 , ঠিকানা: রোড ২৯, হাউজঃ ৪১০, মহাখালী ডি ও এইচ এস, ঢাকা। 

চেক ডিসঅনার মামলা | কিভাবে চেক প্রতারনায় প্রতিকার পাবেন ২০২২ এ | Effective Solutions To

চেক ডিজঅনার মামলা সম্পর্কিত প্রশ্ন 

চেকের মামলায় রায় পেতে কত সময় লাগে?

চেক দিসঅনার এর মামলার রায় পেতে সাধারণত বছর খানেক সময় লাগতে পারে বা বেশীও সময় লাগতে পারে, অন্য দিকে রাজধানী ঢাকায় মামলার চাপ থাকায় স্বাভাবিক ভাবেই আরও বেশি সময় লাগে। কিন্তু এর মামলার উকিল এর যোগ্যতা অনুযায়ী মামলার সময় কমে আসতে পারে।

আগাম চেক দিয়ে তারপর জিডি করলে কি হবে?

আমাদের দেশে আগাম চেক দিয়ে অর্থের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি প্রবণতা আছে কিন্তু বিষয়টি আইন সিদ্ধ নয়। কেউ চেক দিয়ে তারপর প্রতারণা করার জন্য বলে যে চেক হারিয়ে গিয়েছিল তবে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু যেই ব্যক্তি চেক গ্রহীতা তিনি যদি যথাযথ ভাবে প্রমাণ না করতে পারেন যে বৈধ কোন কাজে চেকটা তিনি পেয়েছেন তবে রায় তার বিপক্ষে যেতে পারে।

ভুয়া চেক দিলে কি হবে?

ভুয়া চেক দিলে জাল-জালিয়াতি এবং প্রতারণার মামলা করা যায়।

চেক ডিজঅনারের মামলা করতে হলে কি চুক্তি থাকতে হবে?

না, আলাদা চুক্তি থাকার প্রয়োজন নেই।

চেক হারিয়ে গেলে কি করবেন?

চেক হারিয়ে গেলে যত দ্রুত সম্ভব আপনার নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারন ডাইরী (জিডি) করবেন। অথবা আপনার চেক যে স্থানে হারিয়ে গিয়েছে তার নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারন ডাইরী (জিডি) করতে পারেন।

জিডির সত্যায়িত কপি হিসাবধারী ব্যক্তিগতভাবে ব্যাংক এর সংশ্লিষ্ট শাখায় উপস্থিত হয়ে জিডির কপিটি জমা দেবেন। এক্ষত্রে আপনার হারিয়ে যাওয়া চেক দিয়ে কেও আপনার ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করতে পারবে না।

আর আপনি যদি চেক ডিসঅনারের মামলা দায়ের করার পর মূল চেক, ডিজঅনারের রশিদ, পোস্টাল রশিদ, প্রাপ্তি স্বীকার রশিদ হারিয়ে ফেলেন তাহলে যে স্থানে হারিয়ে গিয়েছে তার নিকটস্থ থানায় গিয়ে একটি সাধারন ডাইরী (জিডি) করতে পারেন হবে। আপনার মামলার সাক্ষ্য গ্রহন সহ অনেক ক্ষেত্রে জিডির সত্যায়িত কপি প্রয়োজন হবে।

আবার চেক ডিসঅনার হয়ার পর ডিসঅনার স্লিপ সহ চেক হারিয়ে গেলে এ বিষয়ে থানায় জিডি করে ১৩৮ ধারায় মামলা করা হয় তাহলে মামলার বাদীকে সাক্ষ্যকে সমর্থন করে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিলে ধরে নেয়া হয় যে বাদী তার মামলায় উক্ত বিষয়ে প্রমানে সক্ষম হয়েছেন।

চেক ডিজঅনারের মামলায় বাদী/আসামী মৃত্যু হলে চেকের কি হবে?

চেক ডিজঅনারের মামলায় বাদী/আসামী কোন এক পক্ষ মারা গেলে মামলাটি শেষ হয়ে যায় অনেকে মনে করেন। ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনারের মামলায় এমনটি ঠিক নয়। চেক ডিজঅনারের মামলা অন্য সকল ফৌজদারী মামলা থেকে একটু আলাদা এবং এটি কিছুটা দেওয়ানী প্রকৃ্তির হওয়ায় বাদী অথবা আসামীর মৃত্যুর কারনে মামলা শেষ হয়ে যায় না। বাদীর মৃত্যুর পর তার বৈধ প্রতিনিধি মালার বাদী প্রক্ষভুক্ত হয়ে মামলা পরিচালনা করতে পারবে। মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আসামীর মৃত্যু হলে মামলার আরজী সংশোধন করে মামলা চলানো যায়। মামলা চলমান অথবা মামলা করার পূর্বে আসামীর মৃত্যু হলে বাদীর একমাত্র প্রতিকার হলো আসামীর বৈধ প্রতিনিধি বিরুদ্ধে দেওয়ানী আদালতে টাকা আদায়ের মামলা করে টাকা আদায়ের ব্যবস্থা করা।

চেক ডিজঅনারের মামলায় অপরাধের শাস্তি কি হতে পারে?

সকল সাক্ষ্য প্রমান, জেরা, যুক্তিতর্কের পর আদালত রায় প্রদান করবেন। অপরাধ প্রমান হলে আইন অনুসারে শাস্তি হিসেবে এক বছর কারাদন্ড অথবা চেকে উল্লেখিত অর্থের তিনগুণ পর্যন্ত অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করতে পারেন।

চেক ডিজঅনারের মামলায় আপিল কিভাবে করতে হবে?

আদালতের রায়ের পরে আপিল করার সুযোগ রয়েছে। ১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদও দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে আপীল দায়ের করতে হবে এবং যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে দায়রা জজের নিকট আপীল করা যাবে।

চেক ডিজঅনারের মামলায় আপীল করার পূর্বশর্ত কি কি?

১৩৮ ধারায় চেক ডিজঅনার মামলায় প্রদও দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা্র আগে দন্ডাদেশের উল্লেখিত অর্থের ৫০% আদালতে জমা দিয়ে আপীল করতে হবে। ৫০% টাকা বিচারিক আদালতে জমা দিতে হবে অর্থাৎ যে আদালত শাস্তি প্রদান করেছেন সে আদালতে টাকা জমা দিতে হবে।

চেক ডিজঅনার মামলার করার জন্য কি কি কাগজ প্রত্র আদালতে দাখিল করতে হবে?

১। মামলার আরজী/ দরখাস্ত।

২। লিগ্যাল নোটিশ এর ফটোকপি ।

৩। লিগ্যাল নোটিশ প্রেরনের ডাক রশিদ এবং এ.ডি এর ফটোকপি।

৪। মূল চেকের ফটোকপি।

৫। ডিসঅনার স্লিপ এর ফটোকপি।

৬। অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র।

ঈনফো-গ্রাফিক্স

চেক ডিজঅনার মামলা

Finance

Investment

Mediation in Bangladesh

Mediation in Bangladesh: A Complete OverviewBarrister Remura MahbubDirector, Tahmidur Remura TLS, Law Firm in Bangladesh12 Nov 2022The purpose of this article is to explain the entire process of mediation in Bangladesh: provisions that regulate mediation, step...

Joint Ventures in Bangladesh

Joint Ventures in Bangladesh: Types, Formation, and AgreementsBarrister Remura MahbubDirector, Tahmidur Remura TLS, Law Firm in Bangladesh10 Nov 2022The purpose of this article is to provide an in-depth overview of joint ventures (JV) in Bangldesh: types of...

VAT registration and enlistment in Bangladesh

VAT registration and enlistment in Bangladesh Every company in the country must have a unique Business Identification Number (BIN). A business must first obtain a VAT registration certificate before applying for a BIN. The annual turnover of a business determines...

VAT agent in Bangladesh

When and why is a VAT agent required in Bangladesh? A non-resident entity that conducts business in Bangladesh but does not have a fixed place of business must appoint a VAT Agent in Bangladesh, according to the Value Added Tax and Supplementary Duty Act, 2012, and...

Warisan and Succession Certificate in Bangladesh

Warisan and Succession Certificate in Bangladesh Warisan and Succession Certificate in Bangladesh is a vital document used to identify the heirs or successors of a deceased person. The Warisan Certificate is issued by the Ward Councilor's Office in the City...

How to get a Portugal Passport from Bangladesh

Portugal Passport By Investment The three most common routes to Portuguese citizenship for expats are outlined below. 1. Portuguese Passport By means of Marriage: After three years of marriage to a Portuguese citizen, one can acquire Portuguese citizenship through...

PI Visa for foreign investor in Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh • In order to apply for a work permit, foreign investors and employees must hold a PI (private investor) or E2/E3 (employment) VISA. • BIDA issues a letter of recommendation for obtaining a PI and E2/E3 VISA. • VoAs may be...

A complete guide on Franchise Business Registration in Bangladesh

Bangladesh is the seventh largest consumer of goods and services in the world. In Bangladesh, franchising is an established method for launching a business. The industries of transportation, beauty, fast food, education, wellness, mail delivery, clothing, and health...

How to form an Association in Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh abd Section 28 of the 1994 Companies Act: Under section 28 of the Companies Act, a nonprofit organization may incorporate as a corporation. This Association will enjoy all the advantages of a limited liability company, but it...

F-1 Student Visa from Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh: The most common visa for students wishing to study in the United States is the F-1 student visa. It is a temporary visa for foreign students who wish to study at an accredited school or college in the United States. The United States...
Pi Visa For Foreign Investor In Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh • In order to apply for a work permit, foreign investors and employees must hold a PI (private investor) or E2/E3 (employment) VISA. • BIDA issues a letter of recommendation for obtaining a PI and E2/E3 VISA. • VoAs may be...

How To Form An Association In Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh abd Section 28 of the 1994 Companies Act: Under section 28 of the Companies Act, a nonprofit organization may incorporate as a corporation. This Association will enjoy all the advantages of a limited liability company, but it...

Traffic And Road Laws In Bangladesh

Traffic and Road laws in Bangladesh

Traffic and Road laws in Bangladesh The administration of traffic and enforcement of traffic laws in Bangladesh have always been a mess. Our nation's road construction has never been able to keep up with the rapid increase of vehicles. In recent years, however, the...

F-1 Student Visa From Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh: The most common visa for students wishing to study in the United States is the F-1 student visa. It is a temporary visa for foreign students who wish to study at an accredited school or college in the United States. The United States...

K-2 Visa For Children Of Us Citizens

K-2 Visa for Children of US Citizens

K-2 Visa for Children of US Citizens A K-2 visa allows the children of a K-1 fiance visa holder to enter the United States until an immigrant visa becomes available. To be eligible for one of these nonimmigrant visas, the applicant must be under the age of 21 and the...

How to take Foreign loans in Bangladesh in 2022| How to effectively process Overseas Financing for Bangladeshi Companies | Pioneering Bangladesh

How to take Foreign loans in Bangladesh in 2022| How to effectively process Overseas Financing for Bangladeshi Companies | Pioneering Bangladesh

How to take foreign loans in Bangladesh in 2022 | Step by step process of getting loan from foreign entities

11 Jan 2022

Best Advocate Lawyer Barrister In Bangladesh

Tahmidur Rahman, Director and Senior Associate

This post will explain in details about Overseas Financing & Foreign loans for Bangladeshi Companies- How to take foreign loans in Bangladesh in 2022. Here in this post we explain the Procedure & Guidelines for the required approval of foreign loans by Bangladeshi Companies.

Table of Contents

Find the subsections below, If you want to jump through specific sections instead of reading the whole article.

Foreign Loans

Overseas Financing by Bangladeshi Companies 

Over the last decade, obtaining a foreign loan by Bangladeshi entities or companies, have increasingly become a routine occurrence. Bangladeshi companies choose international loans for a variety of reasons, including lower interest rates and the ability to borrow a big sum from a single lender.

The Government of Bangladesh has been enabling foreign borrowing legally approved by the Scrutiny Committee in order to attract foreign investment in the private sector through simpler long-term financing of industrial projects at lower cost of funds and to relieve strain on foreign currency reserves.

How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022 Overseas Financing For Bangladeshi Companies The Most Complete Guideline For Foreign Loans Best Banking Law Firm In Bangladesh

Obtaining  foreign Loans in Bangladesh in 2022

In 2022, Short-term loans from parent corporations and shareholders are now available to foreign-owned service companies as operating capital. Overseas-owned enterprises operating in Bangladesh now have more flexibility in receiving foreign loans according to the Bangladesh Bank.

According to a notice released by the central bank’s Foreign Exchange Policy Department, foreign-owned service companies can now obtain short-term loans as working capital from their parent companies and shareholders for essential business needs (FEPD).

Previously, such loans were exclusively available to foreign-owned industrial businesses that participated in manufacturing. Such loans were not available to service or trading enterprises. However, service businesses can now take out such loans as well.

The central bank further stated that such a loan might be available in convertible foreign currencies for a maximum of six years from the start of manufacturing and/or service output operations, with the opportunity to renew or extend the term during that time. Borrowing businesses may pay interest at a maximum of 3% per year until additional instructions are issued, with all other relevant transaction directions remaining intact.

 What are the usual requirements to borrow?

Though each foreign lender has its unique set of criteria, the following is a summary of some of the most frequent requirements that a company may be expected to meet before acquiring the foreign loan.

 

  • Borrower possesses the necessary licences and permits to operate its business.
  • The borrower’s business records are up to date.
  • Borrower is a firm that is conscious about the environment.
  • All industry standard certifications have been obtained by the borrower (e.g. ISO certification).
  • Borrower is a company that follows all labour laws.
  • The borrower or the project has proper insurance.
How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022_ Overseas Financing For Bangladeshi Companies_ The Most Complete Guideline For Foreign Loans_ Best Corporate Law Firm In Dhaka

Step by Step requirements and all the possible documents that you may need

When the documents are issued, they will be thoroughly reviewed by the BIDA Inter-Ministerial Committee. When the committee is content with the verification then they may give the approval or can obtain additional documentation. Hence it is important to carefully prepare the papers.

 

  • The Company’s Board of Directors approval for the proposed foreign loan.
  • Copy of the most recent BIDA registration form, duly attested by a First Class Gazette officer;
  • Original copy of the parties’ Loan Agreement; (For the lender, a copy of the detailed repayment schedule; original copy of the grade period;)
  •  CIB Inquiry Forms 1&2 duly completed, as well as an undertaking from its Sponsors or Directors;
  • Sponsors’ or directors’ credentials;
  • The company’s and its sponsors’ CIB certificates;
  •  Record of previous foreign loans/deferred payments (if available);
  • Audited previous year’s balance sheet;
  • Utilization Certificate from nominated bank;
  • Latest company credit rating report;
  • Latest financial analysis 
  • Updated feasibility report of the proposed project in detail;
  • Form-X, Form-XII and Form-XV from RJSC&F;
  • Certificate of Incorporation of commencement;
  • Memorandum & Articles of Association;
  • Proforma Invoice or Price Quotation (where applicable);
  • Original copy of the Bank Solvency Certificate;
  • Descriptive statement of the use of the loan;
How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022| Overseas Financing For Bangladeshi Companies| The Most Complete Guideline For Foreign Loans_Best Company Law Firm In Dhaka

“Tahmidur Rahman Remura is Considered as one of the leading firms in Company Law in Dhaka, Bangladesh”

Bdlawfirms & Carpe Noctem Bangladesh

Criteria for foreign borrowing

Foreign lenders typically conduct extensive due diligence on the borrower. Financial due diligence is typically performed by the lender; however, for technical, environmental, and legal due diligence, the lender may hire external consultants. The borrower will be responsible for the costs of these consultants.

The lender may require the borrower to appoint a process agent in the country of its choosing,  an auditor affiliated with an international auditing firm; and a compliance manager. The auditor and compliance manager may require a timely report to be submitted directly to the lender following disbursement.

Other Relevant Criterias for Foreign Loans

i. Debt-to-equity ratio: The debt-to-equity ratio based on anticipated borrowing should be kept to a bearable level. While relatively higher debt levels may be warranted for long gestation infrastructure projects, total debt including the proposed borrowing should not breach 70:30 debt equity ratio even for these projects;

ii. Liabilities to the Government: There should be absolutely no liability to the government, either in Taka or in foreclosed property.

iii. Status of implementation and utilization report of authorized foreign borrowing: On a semi-annual basis, the borrowing firm must submit to the BOI the status of implementation and utilization report of the approved loan in the specified format.

iv) If capital machinery and equipment to be bought: Quality, price, and economic life; The capital machinery and equipment to be procured with the proposed borrowing should either be brand new or, if refurbished, have a sufficient useful life as specified by the Government’s Import Policy Order.

v) Validity of the approval: The Scrutiny Committee’s approval of foreign borrowing is valid for 6 (six) months from the date of the BOI’s permission letter. 

Vi) Common Terms:
a) The borrowing firm must follow Bangladesh Bank’s laws and regulations on the use and repayment of the loan, as well as the interest thereon.

Foreign Loans In Bangladesh

What are the due dilligence you may expect from your foreign lenders?

Foreign lenders typically conduct extensive due diligence on the borrower. Financial due diligence is typically performed by the lender; however, for technical, environmental, and legal due diligence, the lender may hire external consultants. The borrower will be responsible for the costs of these consultants.

The lender may require the borrower to appoint a process agent in the country of its choosing,  an auditor affiliated with an international auditing firm; and a compliance manager. The auditor and compliance manager may require a timely report to be submitted directly to the lender following disbursement.

How to get the BIDA Clearance for Foreign Loan in Bangladesh

After obtaining the prescribed application from BIDA, the applicant must submit the aforementioned documents, along with the applicable licence fee, to the Security Committee of Bangladesh Bank for review. If the committee grants clearance after reviewing the submitted documents, BIDA will grant the loan in accordance with their recommendation.

The official time limit for such a process will be entirely dependent on the Borrower for document collection and, to a lesser extent, on the Scrutiny Committee to conduct the meeting, and the fee schedule for approval will be tentatively between BDT 5k and BDT 100k depending on the amount of lending.

How to get a Trade License in Bangladesh?

Click here and go to the post, Tahmidur Rahman speaks in details about Trade License in Bangladesh | Fees, Processing and Renewal!

Regulatory Permissions from Bangladesh Bank and Board of Investment (BOI).

 

Foreign loans with a term of less than a year require Bangladesh Bank’s prior authorization. The Board of Investment must authorize all other foreign loans (including supplier credits, financial loans from institutions or individuals, and debt issuance in international capital markets) (BOI).

Borrowers in special economic zones, such as the EPZs, are eligible for certain concessions (Export Processing Zone).

It normally takes three to six months for the BOI to approve the application. The loan must be applied for using a stipulated application form, which, along with accompanying documentation, must clearly state the loan’s purpose and planned usage by the borrower, as well as the repayment schedule with dates and amounts, and interest payment dates and amounts.

The following documents must be supplied with the application as supporting documentation:

  • The term sheet, facility agreement, and security documents are all part of the loan documentation. These may be submitted in draft form:
  • The borrower’s corporate documents, such as the memorandum and articles of association; resolutions of the borrower’s Board of Directors approving the foreign loan on the terms and conditions reflected in the loan documentation and the application;
  • If the loan is to be used to import any equipment, a pro-forma invoice for that equipment;
  • Report covering key financial and commercial matters in in respect of the loan and related project.

Foreign loans from Multilateral Development Banks

Each of the major Multilateral Development Banks, including the Asian Development Bank and the World Bank, has a Commercial Liaison Office run by the Commercial Service.

These financial organizations lend billions of dollars to initiatives in developing nations like Bangladesh that aim to boost economic growth and social development by decreasing poverty and inequality, increasing health and education, and expanding infrastructure development.

The Commercial Liaison Offices assist American firms in learning how to participate in bank-financed projects and lobby on their behalf.

How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022| Overseas Financing For Bangladeshi Companies| The Most Complete Guideline For Foreign Loans_Best Transactioanl Law Firm In Bangladesh.

General Questions that people ask about Foreign Loans in Bangladesh

 

Is it possible to receive international venture capital funding to launch a business in Bangladesh?

IFC and IDLC funding helped Chaldaal, a food e-commerce firm, raise US$ 5.5 million. This is a positive indicator since if the business thrives, additional financial institutions may be willing to invest in it. Sindabad, a B2B e-commerce, received US$ 4.2 million from Aavishkaar, an Indian Impact Fund. Handy Mama, C-work, Gaze, and Beatles are among the four start-ups that BD Venture has invested in. They joined other Angel Investors in a second round investment in Esoshikhi, an educational technology. The government has set aside Tk 1 billion in the budget for new business ventures. However, the specifics of how that cash will be used have yet to be determined. The cabinet recently approved the ICT Ministry's initiative to establish a venture capital business.

Can I take loan from foreign bank in Bangladesh?

A company can obtain a soft loan in one of two ways: automatically or through the government: The automatic method allows a borrower to get a loan from a foreign firm without first obtaining clearance from Bangladesh's Central Bank. The loan arrangement must, however, be recorded with the BIDA in this case.

How to determine the existing indebtedness structure and creditworthiness of the borrowing company?

(a) CIB report: A CIB report will be needed for all proposals to be processed. The CIB report will be collected by BOI from Bangladesh Bank.
(a) Bank certificate: Existing indebtedness structure and creditworthiness of the sponsors involved, duly confirmed by their bankers, will be required for foreign borrowing permission. The chosen bank will submit to BOI the required inquiry papers as well as an undertaking from the borrowing company's Sponsor Directors.

What are the funding programs for Bangladeshi Entrepreneurs?

Robi, a mobile telecom business, has overhauled its Accelerator program. They broadened the scope by allowing applications from anybody in Robi payroll. They expanded its coverage to include all of Bangladesh. They got almost 2200 applications, of which 56 were chosen for pitching. Finally, eight funds and incubation facilities were given. These programs were aired on television in order to raise awareness and encourage people about the notion of entrepreneurship. Grameenphone has renamed its Accelerator program GP Accelerator 2.0, which is divided into two parts: Pre-Accelerator and Accelerator. Pre-Accelerator is an 8-week program that provides training and coaching to assist verify their concept and get it to market. The accelerator is a 4.5-month program for teams with a Minimum Viable Product (MVP).

How to determine the Quality & Commercial viability of the project for Foreign Loan?

The following financial analyses are necessary to verify the quality/commercial viability of the project feasibility study;

a) The project's internal rate of return (IRR) b) The payback period c) The break-even point at what capacity and what time of year d) A sensitivity analysis in terms of IRR
d) Ratio of Debt Service Coverage (DSCR)

What are the challenges regarding overseas financing in Bangladesh?

Globally, governments that backed startups saw an increase in their GDP. In the fourth industrial revolution period, creativity and technology assistance are critical for competing in global marketplaces. As a result, startups should be at the top of everyone's priority list. It is a priority for our government, but it should be represented at all levels of policy making. Our entrepreneurs have difficulties in obtaining trade licenses, intellectual property rights, and other business licenses and permissions. Foreign investors are hesitant to invest in a company that lacks all necessary legal documentation. Foreign investors are likewise unconvinced about the ease with which they might abandon their investments. Regional centers such as Singapore and China have vast amounts of money to invest, yet we are unable to entice them to engage in our enterprises.

Can an individual from Bangladesh take loan in foreign currency?

Provided, however, that for sufficient reasons, the Central Bank may permit a person resident in Bangladesh to borrow or lend in foreign exchange from or to a person resident in or outside Bangladesh, and/or permit a person resident in Bangladesh to borrow or lend in BDT from or to a person resident outside Bangladesh.

Can a foreign director give loan to Bangladeshi company?

Yes, it is permitted.  But bear in mind, a company cannot lend to a director without paying taxes, while a director can lend to a company.

How do I record a loan repayment?

When your company records a loan payment, you debit the loan account to remove the liability from your books and credit the cash account. Repayments on an amortized loan are made over time to meet interest expenditures and principle reduction.

What are the 3 classification of loans in Bangladesh?

A loan is a sum of money borrowed from a lender by an individual or a business. It is divided into three types: unsecured and secured loans, conventional loans, and open-end and closed-end loans. Before any money crosses hands, the beneficiary and the lender must agree on the conditions of the loan. In some situations, the lender may compel the borrower to put up an asset as collateral, which will be specified in the loan agreement. Individuals, businesses, and governments can all get loans. The major reason for taking one out is to obtain funds to increase one's total money supply. The lender earns money by charging interest and fees.

Company Law practice in TR Barristers in Bangladesh 

The Barristers, Advocates, and lawyers at TLS Law chamber in Gulshan, Dhaka, Bangladesh are highly experienced at assisting clients in dealing with and registering branch offices in Bangladesh.   For queries or legal assistance to set up a branch office in Bangladesh, please reach us at:

E-mail: [email protected]
Phone: +8801847220062 or +8801779127165 or +8801708080817
House 410 Road 29 Mohakhali DOHS

 

How To Take Foreign Loans In Bangladesh 2022_ Overseas Financing For Bangladeshi Companies_ The Most Complete Guideline For Foreign Loans_Best Company Law Firm In Bangladesh

Want new articles before they get published?
Subscribe to our Awesome Newsletter.

Mediation in Bangladesh

Mediation in Bangladesh: A Complete OverviewBarrister Remura MahbubDirector, Tahmidur Remura TLS, Law Firm in Bangladesh12 Nov 2022The purpose of this article is to explain the entire process of mediation in Bangladesh: provisions that regulate mediation, step...

Joint Ventures in Bangladesh

Joint Ventures in Bangladesh: Types, Formation, and AgreementsBarrister Remura MahbubDirector, Tahmidur Remura TLS, Law Firm in Bangladesh10 Nov 2022The purpose of this article is to provide an in-depth overview of joint ventures (JV) in Bangldesh: types of...

VAT registration and enlistment in Bangladesh

VAT registration and enlistment in Bangladesh Every company in the country must have a unique Business Identification Number (BIN). A business must first obtain a VAT registration certificate before applying for a BIN. The annual turnover of a business determines...

VAT agent in Bangladesh

When and why is a VAT agent required in Bangladesh? A non-resident entity that conducts business in Bangladesh but does not have a fixed place of business must appoint a VAT Agent in Bangladesh, according to the Value Added Tax and Supplementary Duty Act, 2012, and...

Warisan and Succession Certificate in Bangladesh

Warisan and Succession Certificate in Bangladesh Warisan and Succession Certificate in Bangladesh is a vital document used to identify the heirs or successors of a deceased person. The Warisan Certificate is issued by the Ward Councilor's Office in the City...

How to get a Portugal Passport from Bangladesh

Portugal Passport By Investment The three most common routes to Portuguese citizenship for expats are outlined below. 1. Portuguese Passport By means of Marriage: After three years of marriage to a Portuguese citizen, one can acquire Portuguese citizenship through...

PI Visa for foreign investor in Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh • In order to apply for a work permit, foreign investors and employees must hold a PI (private investor) or E2/E3 (employment) VISA. • BIDA issues a letter of recommendation for obtaining a PI and E2/E3 VISA. • VoAs may be...

A complete guide on Franchise Business Registration in Bangladesh

Bangladesh is the seventh largest consumer of goods and services in the world. In Bangladesh, franchising is an established method for launching a business. The industries of transportation, beauty, fast food, education, wellness, mail delivery, clothing, and health...

How to form an Association in Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh abd Section 28 of the 1994 Companies Act: Under section 28 of the Companies Act, a nonprofit organization may incorporate as a corporation. This Association will enjoy all the advantages of a limited liability company, but it...

F-1 Student Visa from Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh: The most common visa for students wishing to study in the United States is the F-1 student visa. It is a temporary visa for foreign students who wish to study at an accredited school or college in the United States. The United States...
Pi Visa For Foreign Investor In Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh

PI Visa for foreign investor in Bangladesh • In order to apply for a work permit, foreign investors and employees must hold a PI (private investor) or E2/E3 (employment) VISA. • BIDA issues a letter of recommendation for obtaining a PI and E2/E3 VISA. • VoAs may be...

How To Form An Association In Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh

How to form an Association in Bangladesh abd Section 28 of the 1994 Companies Act: Under section 28 of the Companies Act, a nonprofit organization may incorporate as a corporation. This Association will enjoy all the advantages of a limited liability company, but it...

Traffic And Road Laws In Bangladesh

Traffic and Road laws in Bangladesh

Traffic and Road laws in Bangladesh The administration of traffic and enforcement of traffic laws in Bangladesh have always been a mess. Our nation's road construction has never been able to keep up with the rapid increase of vehicles. In recent years, however, the...

F-1 Student Visa From Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh

F-1 Student Visa from Bangladesh: The most common visa for students wishing to study in the United States is the F-1 student visa. It is a temporary visa for foreign students who wish to study at an accredited school or college in the United States. The United States...

K-2 Visa For Children Of Us Citizens

K-2 Visa for Children of US Citizens

K-2 Visa for Children of US Citizens A K-2 visa allows the children of a K-1 fiance visa holder to enter the United States until an immigrant visa becomes available. To be eligible for one of these nonimmigrant visas, the applicant must be under the age of 21 and the...

Trademark Registration in Bangladesh

Trademark Registration in Bangladesh

Trademark Registration in Bangladesh | The complete procedure, how to apply, cost and filling requirement in 2020 | Trademark Fee, Trademark Application

Tahmidgoldenpicturebackground E1569742859700

Tahmidur Rahman, Senior Associate, TR Barristers in Bangladesh

2 Oct 2019

This post will explain in details about Trademark Registration in Bangladesh | The complete procedure, how to apply, cost and filling requirement in 2020. | Everything about Trademark registraion and filing in  Bangladesh that you need to know and be aware of.

Table of Contents

Find the subsections below, If you want to jump through specific sections instead of reading the whole article.

Trademark Filling Trademark Registration In Bangladesh

What is a Trademark?

Usually, a trademark is a name, term, sentence, logo, emblem, style, illustration, or a combination of these elements. There are also a variety of non-conventional trademarks composed of trademarks, such as those based on colour, scent or sound, that do not fit within these traditional categories. In order to prevent the unauthorized use of that trademark, the owner of a registered trademark may initiate legal proceedings for trademark infringement.

Trademark Registration in Bangladesh, however, should not be deemed as absolutely necessary. A common law trademark owner can also file a lawsuit, but an unregistered trademark can only be protected in the geographical area for which it has been used or in the geographical areas to which it may fairly be assumed to extend.

The term trademark is also used informally to refer to any distinguishing attribute, such as the well-known features of celebrities, by which an individual is easily identified. If a trademark is used for services rather than goods, it may also be referred to as a service mark.

A trademark is a distinctive symbol or indicator used by a person, a commercial company or some other legal body to assist customers in the recognition of the origin of their goods or services for which the trademark occurs and to differentiate their goods or services from those of other individuals.

Trademark Registration In Bangladesh_Trademark Renewal In Bangladesh Law Firm
No schema found.

 

How to Apply for a Trademark in Bangladesh

Any individual claiming to be the proprietor of a trade mark can apply for registration of the mark with the Registrar. Both natives and foreigners have equal rights in this respect, but a local agent must represent a foreign claimant.

Trademark application in Bangladesh can be filed in two categories:

(1) Ordinary Applications
(2) Convention Application (claiming priority from a convention country)

Priority or conventional trademark applications in Bangladesh

Priority trademark applications in Bangladesh should be submitted within 6 months of the date on which the claim was made in the country of the convention.

Multi-class trademark application in Bangladesh 

In Bangladesh, a trademark application can be filed in the manner prescribed for a single class only with the Registrar of Trademarks and with an application number. In Bangladesh, multi-class patent applications can not be submitted. Application for a Trademark or Preference Trademark A submission from a convention country requesting preference can also be lodged in Bangladesh within 6 months of the priority date.

 

How to file an application for a trademark in Bangladesh with simple 8 steps

The foregoing shall be used in an order to register a trademark;

1. Name and full address of the applicant:

If the applicant is a corporation, the name and title of the signatory (such as director, chairman) shall also be sought.

2. Applicant status

Applicant status whether the applicant is Merchandisers / Productors / Service Providers or both.

3. Mark / Logo / Device prints:

Mark / Logo / Device prints and describes whether it is a word mark or a device mark or a merged mark.

4. Goods / Services specification and class

5. Day of use of the symbol in Bangladesh (whether the symbol is in use or suggested in Bangladesh to be used).

6. POA (No original or notarization or legalization needed, only sufficient SCANNED copy)

7. Fee Prescribed

8. Priority Application

In Bangladesh, there is a provision for priority requests. In that regard, within 6 months of the date of that earlier filing, the claimant for registration of a trade mark seeking to take advantage of the priority of an earlier application lodged in a convention country shall add to his application a written statement stating the date and number of the earlier application.

If the priority document is in some language other than English, the English version of the priority document is verified / notarized.

Stage 1: Filing

Anyone can file claiming priority or ordinary application

Stage 2: Examine

Once the claim has been filed, the Registrar shall evaluate the distinctiveness, identification or resemblance of the trade mark with existing registered trade marks and the general accordance with the provisions of the Statute of the Registrar.

Stage 3: Publication

If the examiner is pleased as above (at the examination stage), the label will be released for opposition purposes in the Trademarks Journal.

Step 4: Registration

Where no opposition is received or resolved the same in favour of the Applicant, the Registrar issue a Certificate of Registration for an initial period of seven (7) years from the date of filing.

Trademark Registration in Bangladesh

Trademark Registration Procedure in Bangladesh is regulated by Trade Marks Act, 2009 and Trade Marks Rules, 1963. However, any individual claiming to be the owner of a trademark needs to apply to register the trademark in Bangladesh.

Trademark searches in Bangladesh

Trademark search in Bangladesh:

may be for both word and device marks. In order to assess the availability of trademarks, the presence of prior identical / similar marks on the register, etc., it is advisable to perform a trademark check before filing a trademark application in order to prevent any objection or opposition with regard to the mark.

While a search is not necessary for the filing of an application, it is advisable, before filing an application, to conduct a preliminary search for the proposed trade mark in order to prevent any objection and opposition to the trade mark at a later date.


Trademark searches in Bangladesh can be performed for word marks, numerals, labels and system marks. Device mark searches can be carried out using the Vienna code.

Trademark searches can be categorized in the following categories:
(a) Search through Word Mark
b) Search through Device mark

Word Mark Search:

Trademark word search version of Bangladesh follows the Nice Classification and trademark applications can be filed for products in Classes 1-34 and services in Classes 35-45. Trademark searches in Bangladesh can be performed for the desired class and related classes.


It is advisable to conduct a thorough search for trade mark clearance in Bangladesh in order to ascertain the availability of the proposed trade mark and also to address any resistance and opposition to the trade mark at a later date.


In addition to looking for trademarks, it is also advisable to search the proposed trademark in Bangladesh for a detailed company search and domain search.

Device Mark Search:

It is advisable to perform a systematic search for a figurative trademark. Device marks shall include individual marks such as stylized letters, numerals, shapes, plants, celestial beings, living creatures, etc. or a mixture of marks containing device marks.

The hunt for a system mark in Bangladesh can be carried out between the marks filed and registered in accordance with the Vienna Code Classification.

Trademark Application Filing categories in Bangladesh

Applications for trademarks in Bangladesh can be filed in two categories:

Ordinary Applications: 

Ordinary trademark applications filed in Bangladesh are non-priority applications. A trademark application is typically filed on the form TM-1. Applications for multi-class trademarks can not be filed in Bangladesh.

However, the Trademarks Act also lays down provisions concerning the filing of priority applications where the priority of the trade mark can be asserted in the said trade mark filed in the Convention country.


Trademark Applications (Priority Trademark Applications)
A priority trade mark application should be filed in Bangladesh within 6 months of the date on which the application was made in the Convention country. A certified copy of the priority documents must be filed within 3 months of the date of the submission for the Convention in Bangladesh.

The Paris Convention for the Protection of Industrial Property, signed in Paris , France, on 20 March 1883, created the Union for the Protection of Industrial Property. It provides national treatment to the applicant residing in the Member State of the Union, national treatment is a very important concept and is necessary for the achievement of the fundamental objective of the Paris Convention.

 

The idea is to ensure fair treatment of applications from Member States in the Member State concerned and not to discriminate between nationals of Member States for grant purposes and protection of industrial property.

Priority applications may be lodged in Bangladesh within six months of the date on which the request was made in the countries of the Convention. The trade mark, if licensed under the Act , shall be licensed as from the date on which the application was made in the Convention country and shall be considered to be the date of registration for the purposes of the Act.

Trademark classes in Bangladesh

In Bangladesh, a trade mark application can be filed in 45 classes: Classes 1 to 34 for goods and Classes 35 to 45 for service marks.

 

 

The Trademarks Rules of 1963 were published in the exercise of the powers conferred by section 84 of the Trademarks Act of 1940 and the Rules of Procedure came into force on 2 April 2004.

The Trademarks Act, 2009 has been amended and the Trademarks Register Wing, Bangladesh empty Notification S. R. O. No.211—Law/2008 dated 30 June 2008 has been notified by expanding the classification of products and services to 1 to 45. Service mark applications are also now being lodged and prosecuted in additional service grades, i.e. 43 to 45.

 

Trademark filing process in Bangladesh

An application for registration of a trade mark must be filed with the Department of Patents, Designs and Trademarks (DPDT), Dhaka, in the specified form, with payment of the necessary fees.
Further information on the filing of trademark applications can be found on the Trademark Registry website, Bangladesh, under the following link: http:/www.dpdt.gov.bd/

Requirements for the submission of a trademark application in Bangladesh

Any individual who claims to be the owner of a trade mark can make an application for registration of the trade mark in respect of his goods / services. It should be filed with the trademark office, Dhaka.


After filing a trade mark application, the same shall be reviewed by the Trade Marks Registry, Dhaka, as to its inherent registrability and/or any similarities with existing marks. If an objection is raised, an official investigation report will be released by the Trademarks Registry.

Duration of Trademark registration in Bangladesh

If a trade mark is registered in Bangladesh, it shall be valid for a period of 7 years from the date of registration. The registration of a trade mark could then be extended for a further period of 10 years from the date of expiry of the registration or the last renewal of the registration.

Trademark prosecution in Bangldaesh

As we have explained earlier:

The process for filing a trade mark in Bangladesh is as follows:

Trademark filing in Bangladesh –

Trademark application in Bangladesh can be filed for a single class only. Applications for multi-class trademarks can not be filed in Bangladesh. Application for a trade mark or a priority trade mark Applications requesting priority from a convention country can also be filed in Bangladesh within 6 months of the priority date.

Official Review of a Trademark in Bangladesh / Issue of Office Action – Once an application has been filed, the Registrar shall investigate the distinctiveness, the potential for misleading and contradictory trademarks.

If an objection to registration is raised, the Registrar shall submit an official review report within 6 months to 1 year, depending on the backlog of the registry.

The Registrar can, subject to the provisions of the Ordinance, approve or deny an application. A trade mark application in Bangladesh may be refused / objected by the Registrar on the following grounds:

  • The mark is similar / identical to the earlier mark for the same or similar goods / services.
  • The trade mark is similar / identical to the earlier trade mark in respect of various goods / services.
  • The label is the widely used and accepted name of any specific chemical element or chemical compound.
    However, the above categories of trade marks may be registered if the owner of the earlier trade mark has consented to it or if there has been an honest parallel use of the later trade mark.

Trademark which can not be registered in Bangladesh

As we have explained earlier:

(a) consisting of, or consisting of, some scandalous or pornographic matter;

(b) the use of which will, for the time being, be contrary to any law; or
(c) the use of which is likely to be misleading or confusing; or
(d) which contains any matter likely to affect the religious sensitivities of any class of Bangladeshi citizens;
(e) which is identical with, or imitates, or contains as an element, the armorial bearing, flag or other emblem, the name or abbreviation or initials of the name or official sign or symbol adopted by any State or international organization founded by an international convention, charter or other instrument, unless approved by the competent authority of that State or organization;
(f) which would otherwise be dissented from defense in a court of law;
(g) the request is made in bad intentions and in bad faith;

Furthermore, the objections raised by the Registrar with respect to the application are forwarded to the applicant and, within 90 days, the applicant must file an acceptable reply with the supporting documents to the official objections. The Registrar may consider the request on the basis of the reply and the documents submitted or may list the request for a hearing.


An appeal against the decision of the Registrar at or without the hearing can be lodged by the applicant within 1 month from the date of such notification to the Registrar, requiring him to state in writing the grounds and the materials used by the Registrar in arriving at his decision.
When an application for registration of a trade mark is approved, the Registrar shall publish it in the Official Trade Marks Journal and shall make it available on the Registry ‘s website.

Trademark publication in Bangladesh

Publication / Publication of a Trademark in Bangladesh –

After review and approval of the reply by the Registrar, the application is ordered for publication / publication in the Trademarks Journal. An application is published in the Trademarks Journal in order to allow the public to file an objection to the registration of a trade mark.

Opposition to the published trade mark in Bangladesh –

Upon publication of the trade mark in the Trademarks Journal, any person may object to the registration of the said trade mark by filing a notice of opposition within a specified period of 2 months from the date on which the Trademarks Journal is made available to the public.

The time limit for filing a notice of opposition can be extended by a maximum duration of 3 months upon filing a stated request for an extension of time of three months for a period of one month each along with the prescribed fee.

Renewal of trademark in Bangladesh

The application shall continue to be registered if there is no opposition or if the opposition has been submitted and it has been determined in favor of the applicant. The mark shall then be registered for a period of 7 years from the date of filing of the application and the certificate of registration shall be issued.

The trade mark may be extended from time to time for an indefinite period by payment of renewal fees, failing which the trade mark may be withdrawn from the Register on account of non-renewal. Each renewal period shall be for a period of 10 years.

Filing and opposition of a trademark in Bangladesh

Upon publication of a trade mark in the Trademarks Journal, any person may file an opposition against registration of the said trade mark in Bangladesh by filing a notice of opposition within a specified period of 2 months from the date on which the Trademarks Journal is made available to the public. The time limit for filing a notice of opposition can be extended by a maximum duration of 3 months upon filing a stated request for an extension of time of three months, each with the prescribed fee.

The trademark application can be challenged in Bangladesh on the grounds set out in Sections 8 , 9 and 10 of the Trademarks Act 2009.

Where an opposition is lodged against a trade mark in Bangladesh, a copy of the notice of opposition so lodged shall be served on the applicant by the Trade Marks Registry and the applicant shall be allowed to file a counter-statement within 2 months of receipt of the notice sent by the Registry, failing which the application shall be regarded as abandoned.

Subsequently, the Registrar shall request written documentation from all parties. If the dispute is not settled by the parties, the hearing shall be determined on the matter.

The Registrar shall decide the case in the opposition proceedings. In the absence of an opposition, a trade mark shall be registered and a certificate of registration shall be issued.

Restoration and Renewal of Trademark in Bangladesh

Renewal of trademark in Bangladesh

A trade mark may be renewed in Bangladesh from time to time for an indefinite duration upon payment of renewal fees, failing which the trade mark may be withdrawn from the Register on account of non-renewal. Each renewal period shall be for a period of 10 years.
The process for filing a renewal of a trademark in Bangladesh is as follows: a request for renewal of a trademark in Bangladesh can be filed within 6 months prior to the date of registration / renewal if it is accompanied by the necessary renewal fees in the specified form.
Requests for renewal of a trade mark in Bangladesh can be filed within 6 months after the date of registration / renewal, provided they are accompanied by the required renewal fees on the prescribed form.

Restoring trademarks in Bangladesh:

If, on grounds of non-renewal, a trade mark has been withdrawn from the Register, the same may be reinstated by filing an application in the specified form for the restoration of the trade mark within 1 year from the expiration of the last registration of the trade mark.

Trademark filling fee schedule and forms

Details regarding the Trademark forms can be accessed at the following link:
Bangladesh Trademark Forms
Details regarding the Trademark Filings fees can be accessed at the following link:
Bangladesh Trademark Filing Fees

Types of Trademark Application

Applications for trademarks in Bangladesh can be filed in two categories:
(1) Ordinary applications
(2)Convention Application (claiming priority from the country of the Convention)

RECAPPING AT A GLANCE

Construction Icon 2 White

Ordinary Trademark Application

Ordinary trademark applications filed in Bangladesh are non-priority applications. A trademark application is typically filed on the form TM-1. Applications for multi-class trademarks can not be filed in Bangladesh. However, the Trademarks Act also lays down provisions concerning the filing of priority applications where the priority of the trade mark can be asserted in the said trade mark filed in the Convention country. – Trademark Registration in Bangladesh

Construction Icon 1 White

Priority Trademark Application

A priority trade mark application / convention application for a trade mark should be filed in Bangladesh within 6 months of the date on which the application was made in the Convention country. A certified copy of the priority documents must be filed within 3 months of the date of the submission for the Convention in Bangladesh.- Trademark Registration in Bangladesh

Construction Icon 3 White

Paris Convention

The Paris Convention for the Protection of Industrial Property, signed in Paris , France, on 20 March 1883, created the Union for the Protection of Industrial Property. It gives national care to the applicant residing in the member country of the union, in other words. National care is a very important concept and is necessary for effectively achieving the fundamental goal of the Paris Convention. The idea is to ensure fair treatment of applications from Member States in the Member State concerned and not to discriminate between nationals of Member States for grant purposes and protection of industrial property. Priority applications may be lodged in Bangladesh within six months of the date on which the request was made in the countries of the Convention. -Trademark Registration in Bangladesh

Trademark Registration In Bangladesh_Best Ip Law Firm In Bangladesh

“Tahmidur Rahman Remura Parnters is Considered as one of the leading firms in Intellectual Property Law in Dhaka, Bangladesh”

Carpe Noctem Bangladesh

STEP BY STEP Process of a Trademark Registration in Bangladesh through 5 simple steps.

 

STEP 1:

FILING AN APPLICATION

Trademark Registration In Bangladesh_Top Ip Law Firm In Bangladesh

Submission Reuirement

An application has to be submit along with few information and documents which are listed below:

  • Particulars of the mark/logo/device prints or representations
  • Name of the applicant, address and nationality
  • If the applicant is a firm then signatory’s name and position
  • Status of the application i.e. manufacturers/merchandisers/ service providers
  • Specification of goods/ service/class
  • Trademark date of user (whether the mark is in use or proposed to be used in Bangladesh)
  • Power of Attorney authorizing to the lawyer if it requires
Best Trademark Registration Law Firm In Bangladesh

Government fee for trademark application

The government fee for filing the application for registration is 3500 (three thousand and five hundred taka) or equivalent to USD. 42 (Forty Two). You can get more information on government fee for registration here.

Trademark Registration In Bangladesh_Tahmidur Rahman

Jurisdiction to file a trademark in Bangladesh

The application needs to file at the Head office or any branch of the Trademark Registry having territorial jurisdiction over the principal place of business. Furthermore, If the person does not carry on business in Bangladesh, the application needs to file in the office having territorial jurisdiction over the place mentioned in the address for service in Bangladesh.

STEP 2:

Substantive and Formalities Check of a trademark in Bangladesh

Trademark Registration In Bangladesh Tahmidur Rahman

Acknowledgement of the Application

Upon receiving the application along with government fee, the Registrar will issue an automatic generated receipt. The receipt includes information related to trademark filing, e.g. Application Number, application date, trademark, etc.

Construction 18

PROSECUTION OF OFFICE ACTION FOR A TRADEMARK IN BANGLADESH

After the application has been filed, the Registrar shall review the distinctiveness, the risk of fraud and the conflicting trademarks. If an objection to registration is raised, the Registrar shall submit an official review report within 6 months to 1 year, depending on the backlog of the registry. The Registrar can, subject to the provisions of the Ordinance, approve or deny an application.

Trademark Registration In Bangladesh_Tahmidur Rahman Law Firm

Examination by the registrar

After an application has been filed, the Registrar shall review the trademark for its distinctiveness, identicalness or resemblance to existing registered trademarks and general compliance with the provisions of the Statute. If the Registrar is pleased, he shall issue a letter of approval for the trade mark to be published in the Trademarks Journal for opposition purposes (smooth case). Otherwise, the Registry raised the objection / refusal notice (OFFICE ACTION) and demanded a written reply on the objection or refusal notice (non-smooth case).

STEP 3:

Journal Publication of a Trademark in Bangladesh

Trademark Registration In Bangladesh

Publication Cost and Timeline

The Official fee of the publication cost would be around VAT: BDT 1150 or USD 20 + Law Firms fee and the timeline would be 8 to 12 months from the date of the publication fee deposited.

Trademark Application Trademark Registration In Bangladesh Best Ip Law Firm In Dhaka

Publication Stage

Thereafter, if anyone has any dispute as to the proposed trademark, he can raise it within 2 (two) months from the date of publication. The reason behind the journal publication is to invite the public for filing opposition against the registration of a mark.

Trademark Law Firm In Bangladesh

Passing the registrar

If there is no office action or notice after review, if the Examiner is satisfied as mentioned above (in stage 2), the Registrar shall approve the trade mark for advertising in the Trademarks Journal for opposition purposes.

STEP 4:

Opposition Proceedings  of a Trademark in Bangladesh

Construction 19

Government Fee for opposition

If there is no office action or note After review, if the Examiner is satisfied as mentioned above (in stage 2), the Registrar shall approve the trade mark for advertising in the Trademarks Journal for opposition purposes.

Construction 18

Opposition Process

The Registrar having received the notice of Opposition, sends a copy of the Notice of Opposition to the Applicant.  Thereafter, the Applicant will get an opportunity file a Counter-Statement with in 2 (two) months of receiving the notice. The Counter-Statement should contain the grounds in supporting the claim. The government fee for filing counter-statement is 1500 (one thousand and five hundred taka).

Trademark Registration In Bangladesh_Top Ip Law Firm In Bangladesh

Counter Statement and Appeal

Upon receipt of the Counter-Statement, the Registrar shall forward a copy to the Opponent. The Registrar shall then rule on the contested matter at the hearing of both parties. However, an appeal can be brought before the High Court against the decision of the Registrar. However, the opposition proceedings should be filed within 120 (one hundred and twenty) working days of receipt of the order.

STEP 5:

Final Registration Proceedings  of a Trademark in Bangladesh

Best Trademark Registration Law Firm In Bangladesh

Certificate of Registration

Above, if there is no conflict against the publication of a trade mark, the Registrar shall, after the expiry of the term of 2 ( two) months, notify the Registrar of the payment of the charge. After collecting the fee, the Registrar shall issue a Certificate of Registration for the trade mark. The licensed trade mark shall be valid for a term of 7 years from the date of registration.

Trademark Registration In Bangladesh_Best Ip Law Firm In Bangladesh

Renewal of Trademark registration

A Trademark can be renewed in Bangladesh from time to time for an indefinite duration upon payment of renewal fees. Failure to renew could, however, result in the removal from the Registry of registered trademarks. The renewal period could be for a period of 10 years. Please bear in mind that an application for the renewal of a trade mark should be made no more than six (6) months before the expiry of the last renewal.

Construction 15

Registration Cost and timeline

The registration timeline would be 6 to 8 months from the date of publication if there is no opposition and the cost would be with an offical fee with VAT+Disbrusment: BDT 17250 or USD 220 +Law Firm’s fee.

OUR Managing Director Barrister Abul Hashem has the experience over 15 years of working with Trademark in Bangladesh

TR Barristers in Bangladesh offers services on Trademark Registration and other related matters. However, If you need any legal help or clarification about Trademark Registration Process in Bangladesh, please reach us at:

 E-mail:[email protected]
Phone:+8801847220062 or +8801779127165 (WhatsApp).  Address: Road 126 (3rd Floor) Islam Mansion, Gulshan-1, Dhaka.

Call For a Quote:

+8801847220062 or +8801779127165

Contact Us

Gulshan 1 Circle Dhaka ,Bangladesh

+8801847220062 or +8801779127165

How to open a Liaison office in Bangladesh – Liaison office formation in 2020

How to open a Liaison office in Bangladesh – Liaison office formation in 2020

How to open a Liaison office in Bangladesh –Registration and Incorporation Procedure of Liaison office in Bangladesh

Tahmidgoldenpicturebackground E1569742859700

Tahmidur Rahman

Senior Associate, TR Barristers in Bangladesh

2 Feb 2020

This post in details will explain in details about the process of opening a liaison office in Bangladesh, the process of getting permission from BIDA, time period of the validity of the license, Bank Account opening, Bangladesh bank approval and everything in regards to registering a Liaison office in Bangladesh with infographics and diagrams.

 

 Liaison Office registration in Bangladesh

Businesses wishing to develop a presence in Bangladesh without carrying out operations within the country immediately are called liaison offices or representative offices.

A liaison office must take approval from the Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) for the establishment of the Bangladesh Liaison Office.

Liaison office and Branch office are almost similar. But a liaison office in Bangladesh can not perform any business or income-earning activities.

But a Branch Office can do so with proper authorization. If you would like to know how to set up a branch please click here. On the other hand, in Bangladesh, a limited company or a subsidiary can do full-fledged business through proper incorporation.

 

Liaison Office In Bangladesh

If you want to know everything about Branch office registration in Bangladesh!

Basic requirement of registering a Liaison office in Bangladesh?

Companies wishing to set up a Liaison Office must fulfill the following basic requirements:

  • It’s a foreign company registered outside Bangladesh that wants to set up Liaison Office.
  •  The name of the Liaison Office shall correspond to the name of the international company.
  • Shareholders, the structure of the corporation and its operations shall be regulated by the Memorandum and Articles of Association of the international company. For the Liaison Office, there is no separate Agreement and Articles of Association.
  • The Liaison Office must have an email address in Bangladesh.
  •  The Liaison Office would not have a local source of income in Bangladesh.
  • Establishment and maintenance expenses shall be met by the parent company abroad.
  • The bank account
  • USD 50,000 or equivalent as projected initial establishment costs and 6(six) months operating costs of the Liaison Office shall be charged as inward remittances to Bangladesh within 02(two) months from the date of issuance of the BIDA permission letter.
  •  Other business licenses such as industrial license, tax registration (ETIN) and so on.
  • The registration fee for BDT 25.000.
  •  Registration with the Board of Joint Stocks in Bangladesh.
  •  Job visas for foreign workers.
  • Branch which carries out commercial activities shall pay corporate income tax and comply with sales VAT.
  • Other tax and VAT (GST) laws, such as withholding like tax & VAT, return submission etc., must be complied with, irrespective of the activities of the Branch.
Best Company Formation In Bangladesh_Liaison Office In Bangladesh

How to register a Liaison Office in Bangladesh – Step by Step process

On the basis of funding, we can further extend the scope of NGOs, such as locally sponsored, government-funded, foreign The information provided below offers a comprehensive step-by – step method for setting up a branch or liaison office in Bangladesh.

In the meantime, it is important to notice that the approval of the Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) is the primary prerequisite for the establishment of a branch or liaison office in Bangladesh.

Step one: Obtaining Permission from BIDA for setting up a Liaison office in Bangladesh

Permission from the Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) is required to set up a Liaison Office. Now, what needs to be done to get permission from BIDA?

The foreign investor will be expected to submit an application in the specified form along with the documents mentioned below. It should be noted that the documents must be accredited by the Bangladesh Embassy / High Commission of the country of origin or the Top Chamber of Commerce of the country of origin.

Required Documents for the permission from BIDA

  1. Application in prescribed form signed by the authorized person for establishment of branch/liaison/ representative office – 4 copies. 
  2. Memorandum of Association and Articles of Association of the principal Company;
  3. Incorporation Certificate of the principal Company;
  4. Nationalities and name of the directors/promoters of the principal Company;
  5. A board resolution for opening a Liaison office in Bangladesh;
  6. Last financial year’s audited accounts of the principal company;
  7. Projected organogram of the office viewing the posts to be occupied by local personnel as well as expatriates;
  8. List of activities on the Company letterhead of the proposed Liaison office in Bangladesh.

Government Cost for Permission

A fee of BDT 25,000 (Twenty-five thousand) is expected to be paid by bank payment order and the original copy of the payment order must be sent to BIDA to get the permission for opening the Liaison office in Bangladesh.

Registration procedure and approval timeline for the Liaison office

All records should be sent to BIDA on a physical basis. You can also apply online via the BIDA website. After careful examination of all records, the BIDA officials shall send the application and records to the Inter-Ministerial Committee.

The Committee may review the documentation and can request further documentation or a physical presentation. If the committee is pleased, the approval will be given for the Liaison office in Bangladesh. The Inter-Ministerial Committee normally sits twice a month. Usually the duration is one month or less.

Usually, permission is given to the opening of a branch or liaison office initially for a term of 3 ( three) years, which can be extended later.

Liaison Office In Bangladesh_Best Law Firm In Bangladesh_Tahmidur Rahman

Step two: Opening a Bank account for the liaison office in Bangladesh

In regards to opening a Liaison office in Bangladesh, A bank account must be opened at any bank in Bangladesh after obtaining the approval from BIDA.

The bank account is required at this stage because a sum of foreign exchange equal to US$ 50,000 (fifty thousand dollars or more) must be transferred to Bangladesh as an inward remittance. This must be achieved within 2 ( two) months from the date of the issuing of the BIDA authorization.

Step three: Obtaining the approval from the Bangladesh Bank (Central Bank)

The Foreign Exchange Regulations Act 1947 has recently been (2015) amended by the Bangladesh parliament. Bangladesh Bank’s criteria for 18B Approval was withdrawn.

Under the amendment, within 30(thirty) days of receiving permission from the Bangladesh Investment Development Authority, the Branch Office or Liaison Office or Representative Office will have to report to the Bangladesh Bank. We will update this section once any notification to that effect is released by Bangladesh Bank in regards to Liaison office in Bangladesh.

In addition to that since the amendment, the government or the Bangladesh Bank will be able to request that any individual residing in Bangladesh return their holdings of foreign exchange, foreign securities, any immovable property or industrial or commercial undertaking or company held, operated, founded or managed by that individual outside Bangladesh.

If you want to know how to open a company in Bangladesh or about company formation click here!

“Tahmidur Rahman – Tahmidur Rahman Remura Parnters is Considered as one of the leading firms in NGO and Non-profit Law in Dhaka, Bangladesh”

Carpe Noctem Bangladesh

Step Four: Registering the Liaision office with the RJSC 

After obtaining approval from both Bangladesh Bank and BIDA, registration with the RJSC is required. The following documents will be required for this purpose:

  1. BIDA Letter of Approval.
  2. Bank of Bangladesh letter of approval.
  3. Certified copy of the company memorandum and articles of associations, or other statutory records.
  4. Complete address of the company’s registered office or principal office.
  5. A list of the company’s directors, and secretary, if any.
  6. The name and address or the names and addresses of one or more persons residing in Bangladesh, allowed to accept company service of process on behalf of the company and any notices or other documents necessary to be served on the company.
  7. The full address of the company’s office, which is to be considered as the main place of its business in Bangladesh.

What is the scope of a Liaison office in Bangladesh

A Liaison Office in Bangladesh would only be allowed a very small operation to be carried out, as the Liaison Office it will have the right to carry out feasibility studies, market analysis to determine the quality of the targeted product , customer service and to supervise the activities of local agents. They may also provide customer service and supervise the activities of local officers.

In most situations, the Liaison Office serves as a liaison between the main office and any other company located in Bangladesh that it plans to negotiate with when the time comes.

Liaison Office In Bangladesh_Top Law Firm In South Asia

Limitations of a Liaison office in Bangladesh

Since a Liaison Office in Bangladesh is not legally a corporate organization, it is not authorized to carry out any profit-making operations. Examples of such activities include entering into a strictly binding contract, leasing space for other businesses , providing technical services, issuing receipts, and even ship / store goods without a local agent in Bangladesh.

No outward remittances of any kind from Bangladesh sources shall be permitted except for the unexpended amount brought from the parent company abroad.

“In most situations, the Liaison Office serves as a liaison between the main office and any other company located in Bangladesh that it plans to negotiate with when the time comes.” 

Tahmidur Rahman_ Liaison Office In Bangladesh_Best Law Firm In Bangladesh

Frequently Asked Questions about Liaison office in bangladesh

In regards to Liaison in bangladesh people also ask these questions frequently, hence this FAQ content block is dedicated to answering your questions.

NGO and INGO registration at Tahmidur Rahman TLS:

The legal team of Tahmidur Rahman, TR Barristers in Bangladesh TLS are highly experienced at dealing with company matters along Liaison office set up process, and branch office registration in Bangladesh . For queries or legal assistance, please reach us at:

E-mail: [email protected]
Phone: +8801847220062 or +8801779127165

Address:

 

FAQ

What is a liaison office in Bangladesh?

The liaison office of a foreign company is permitted to function in Bangladesh only on a limited basis, provided that none of the operations is profit-making.

In other words, a liaison office will perform market analysis and representation activities only. Click to see the List of Approved Activities for the Bangladesh Branch Office.

What are the permitted activities for a Liaison office in Bangladesh of a foreign entity?

The liaison office of a foreign company is permitted to function in Bangladesh only on a limited basis, provided that none of the operations is profit-making. 


In other words, a liaison office will perform market analysis and representation activities only. Click to see the List of Approved Activities for the Bangladesh Branch Office.

What is Income Tax rate for a Liaison office of a Foreign Company?

The Liaison Office of a foreign parent company shall not be regarded as a separate and independent body in Bangladesh and, for all tax purposes, the Government of Bangladesh shall tax the income of such entities at higher rates.

What are the conditions of opening a Liaison office in Bangladesh?

Liaison or representative office of a foreign company can be opened if the applicant foreign corporation has had a record of profit generation for the past 3 years and is financially sound. 


When we say that a foreign company is financially sound in the sense of a representative or liaison office in Bangladesh, we mean a net worth of USD 50,000 or its equivalent. The financial statement properly certified by the statutory auditor of the parent company is required.

What are the additional incorporation requirements for opening a Liaison office in Bangladesh?

  • A certified copy of the charter,
  • laws or memorandum and articles of the corporation or other instrument constituting or specifying the company's constitution and,
  • if the instrument is not in the English language, a certified translation thereof into the English language;
  • the full address of the company's registered office or head office;
  • the list of directors and secretary of the company's contents;
  • The full address of the company's office in Bangladesh, which is considered to be its principal place of business in Bangladesh;
  • Specifics of opening and closing a business premises in India on earlier occasions or occasions;
  • a declaration that none of the company's directors or the approved representative in Bangladesh has ever been convicted or removed from the creation of companies and management
  • and any other information as may be prescribed.

Can a liaison office or a branch office be considered a legal entity?

The Branch or Liaison Office is a legal body that has been registered with the BIDA in Bangladesh. It is called a multinational business extension, and not a separate legal entity.

Unlike a subsidiary of Bangladesh, the parent company of the Branch or Liaison Office is indirectly responsible for all debts and liabilities of the Branch or Liaison Office.

Can foreigners set up a Liaison or branch office in Bangladesh?

There are no restrictions on foreign nationals being a Bangladeshi company director, shareholder, or a secretary. 

You even do not have to live in the Bangladesh for the formation.

Who bears the operating expense of a Liaison office in Bangladesh?

All expenses for setting up a Liaison Office and operating it are basically borne by the parent company which is established abroad.

Does the Liaison office needs an office address in Bangladesh?

The general requirement is that, a Branch or a Liaison Office must have an office address located in Bangladesh.

What are the five steps of a Liaison Office Registration in Bangladesh?

1. Apply to BIDA for authorization to open the Liaison Office.
2. Receive the permission.
3. Open a corporate bank account.
4. Bring   USD 50,000 for starting-up the liaison office and running costs for at least six ( 6 )months.
5. Apply to the RJSC to register.

What is the timeline of a Liaison office approval in Bangladesh?

  • 30-45 days need from application date
  • As one meeting hold once in month, sometimes 2 meeting holds when more applications are submitted
  • Additional time or second meeting might need if application is rejected for lack of papers
Infographics
How To Form A Private Limited Company In Bangladesh_Best Corporate Law Firm In Bangladesh
Video Tutorial
Author’s Bio
Tahmidur Rahman | Law Firm in Dhaka, Bangladesh

Tahmidur Rahman is a trained Engineer and one of Bangladesh's most innovative young Barristers. He is regarded as one of the country's sharpest young legal experts.

He is academically qualified Legal Professional (BA LLB) and CS Engineer (BSc CSE- concurrently pursued four different majors at two different universities) with experience structuring and negotiating complex business transactions such as company formations, registrations, mergers, acquisitions, leveraged buyouts, syndicated loans, and acquisition financings.

For the past several years, I've been counseling corporations, investors, and banks on a wide range of capital markets products and financial restructurings, particularly in cross-border settings in rising South Asian markets. I like assisting clients in resolving complicated financial structure difficulties, dealing with difficult market conditions, and navigating Bangladeshi legislation, regulation, and disclosure requirements.

As one of the the leading law firms in Bangladesh, Tahmidur Rahman Remura chamber aligns its way to consistently exceed the legal expectations from its revered local and International clients. Voted as the best Banking law firm in Bangladesh by ACQ, best Commercial law firm in Bangladesh by FT and best Company law firm in Bangladesh, in 2020 by several world class publications and databases, TLS law firm in Bangladesh is also considered as one of the best multi-disciplinary full service law firm in Dhaka, Bangladesh.

The law chamber functions as a group of many leading practicing lawyers who work together to represent TLS's clients and have so far achieved an outstanding overall success rate in both litigation and commercial matters. The Lawyers and Barristers are working as partners, associates and paralegals of Tahmidur Rahman|TLS- Law Firm in Dhaka, Bangladesh.

They are highly trained and exceptionally qualified with both local and international credentials and skills. The current Managing Partner, Barrister Abul Hashem has the experience of practicing in the Supreme court of Bangladesh for more than 15 years and was educated in England and was also called to the Bar of England & Wales as Barrister of the Honourable Lincoln's Inn Society. Partners and partners have extensive experience and skills in their respective fields of practice, ranging from Admiralty, Writ Matters, Business, Criminal and Private Law, Finance Law, Information Technology Law, Investment Law, Intellectual Property law, Divorce & Family Practice.

The head office of the law firm is situated in the Gulshan 1 circle of Dhaka, which is considered to be the financial center of Bangladesh. The firm is strategically situated close to Gulshan 2 & Banani Commercial Areas and is easily accessible from Uttara, Dhanmondi, Bashundhara Residential Area and Badda. The firm works in compliance with strict ethical principles and maintains international standards in the handling of its business.

Tahmidur also gained broad experiences in antitrust, consumer protection, and general litigation matters, with particular experience in FTC investigations, private antitrust litigation and class actions. Within short span of formation, Tahmidur also served several national and multinational corporations which includes Team Group Plc, Seecen International Ltd., Diplomate Resorts Plc, Cloudcone Technology PTE Ltd., Benaul the Piper etc.

TLS as a firm also defends corporations in a wide variety of industries, including pharmaceutical and technology companies. Despite this exponential growth and proliferation of clients, the managing partner still constantly maintaining the firm’s grounded approach and making sure the members of ‘Tahmidur Rahman Remura’ maintain a contiguous and helping hand towards its clients of all norms.

Email: [email protected]

Address: Jamilla Villa (4th Floor Flat No-C2 House 4/A/1 Road no: 2, Gulshan 1, Dhaka, 1212, Gulshan, Dhaka, 1212, Bangladesh

Gender: Male

Job Title: Senior Associate and Director

Have a Different Question?

Email us anytime : [email protected]

Or call — +8801847220062 or +8801779127165

Procedure of Foreign Investment in Bangladesh | Law, Policy, Direct, Angel, Rules, Policy- Everything you need to know in 21st century

Procedure of Foreign Investment in Bangladesh | Law, Policy, Direct, Angel, Rules, Policy- Everything you need to know in 21st century

Procedure of Foreign Investment in Bangladesh 2020| Law, Policy, Direct, Angel, Rules, Policy- Everything you need to know about Foreign Investment in 21st century Bangladesh

Tahmidgoldenpicturebackground E1569742859700

Tahmidur Rahman
 Director and Senior Associate, TR Barristers in Bangladesh

17 Jan 2020

Procedure of foreign investment in Bangladesh: Leading up to initiating a major investment , investors needs to navigate the basic legal policies on investment law in Bangladesh. Bangladesh is one of the easiest countries in the world to do business with straightforward regulation, a well-respected legal system and low entry barriers. Entrepreneurship is also massively respected and encouraged in the country.

Despite this welcoming atmosphere and a lack of red tape, difficult choices and decisions need to be taken at an early stage, and this article describes everything you need to know about the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

Foreign Investment Policy in Bangladesh & Procedure of foreign investment in Bangladesh

 

The Government of Bangladesh has put in place a wide range of policies aimed at bringing substantial socio-economic changes to the citizens of Bangladesh and, eventually, self-reliance to the country, which would in turn pave the way for seamless procedure of foreign investment in Bangladesh.

In recognition of the capacity of the private sector to contribute to the achievement of these objectives, the government has recently initiated a number of major policy reforms, which are planned to create a more transparent and competitive environment for foreign investment in Bangladesh.

In order to achieve the goal of accelerating industrial growth and increasing the share of industry in the Gross Domestic Product ( GDP) and to make industrial policy sensitive to changes in the global economy, the current government announced an Industrial Policy in 1999. 

 The core characteristics of the 1999 industrial strategy are as follows: 

  • To draw foreign direct investment in Bangladesh,  both export and domestic market-oriented industries to compensate for the lack of domestic investment opportunities and to acquire emerging technology and to gain access to export markets, so that the Procedure of foreign investment in Bangladesh bangladesh gets even easier.
  • To ensure the sustainable growth of industrial jobs by promoting investment in labour-intensive manufacturing sectors, including investment in productive small and cottage sectors.
  • Diversifying and increasingly increasing the production of manufacturing.
  • Coordinate economic and fiscal policies to inspire a growth in foreign investment in Bangladesh.
  • Promote the competitive strength of import substituting industries for catering to a rising domestic market.
  • To increase the production base of the economy by increasing the pace of industrial investment to ease the procedure of foreign investment in Bangladesh .
  • Promote the private sector to drive the development of industrial production and investment and making the Procedure of foreign investment in Bangladesh way easier.
  • Emphasis on the role of the government as a facilitator in creating an enabling environment for the expansion of private investment and the procedure of foreign investment in Bangladesh.

Investment Structures in Bangladesh and Procedure of foreign investment in Bangladesh

Bangladesh offers generous opportunities for investment under its relaxed Industrial Policy and export-oriented, private sector-led growth strategy. Except for the previously stated reserved sectors, foreign investors are free to make investments in Bangladesh in industrial enterprises.

In regards to Procedure of foreign investment in Bangladesh, Foreign companies wishing to do business or establish a presence in Bangladesh have a number of options.

1.  Foreign Direct Investment in Bangladesh

FDI (foreign direct investment in Bangladesh) in industrial or construction projects must be registered with the Bangladesh Investment Development Authority (BIDA).

BIDA, formerly known as the Investment Board, was formed by the Bangladesh Investment Development Authority Act 2016 to deal with issues related to FDI and to promote investment in Bangladesh.

The foreign direct investment (FDI) inflow at the end of June 2018 amounted to USD 2.58 billion (foreign investment in Bangladesh stats, Bangladesh bank).

The Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) announced an impressive 13.34% rise in FDI in the third quarter of 2018, receiving proposals worth USD 3.23 billion over the same period, suggesting strong interest on the part of foreign investors.

The key objective of BIDA is to encourage domestic and foreign investment as well as improve Bangladesh’s international competitiveness. BIDA also provides the necessary facilities and assistance for the establishment of industries.

In regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh, determining the route of investment usually depends on the specific sector and the policy of the FDI adopted by the Government in regards to foreign investment in Bangladesh. 

2. Wholly owned subsidiaries in Bangladesh

Foreign companies are allowed to create wholly-owned subsidiaries in Bangladesh. Such companies may be known as private limited or public limited companies. Foreign equity ownership can be up to 100% in most sectors, including construction, information technology and production.

Foreign entities can acquire an existing Bangladeshi company or incorporate a new company that complies with the requirements of the Registrar of Joint Stock Companies and Firms (RJSC). Subsidiaries are entitled to remit dividends reported on income after tax.

3. Joint Ventures in Bangladesh (Foreign Investment in Bangladesh)

As with wholly-owned subsidiaries, international companies can have joint venture companies with Bangladeshi partners. The equity ownership of a foreign corporation would depend on the sector in which it is invested.

Procedure Of Foreign Investment In Bangladesh.

If you want to know everything about Branch office registration in Bangladesh!

4. Setting up a Branch or Liasion offices in Bangladesh for foreign investors

International companies can also create a presence in Bangladesh through a representative office, liaison office or branch office for the purpose of foreign investment in Bangladesh.

Typically foreign companies that do not have local earnings in Bangladesh may choose to set up representative offices, liaison offices or branches.

The operations of these organizations are limited to those set out in their BIDA approvals and are subject to strict compliance with the foreign exchange regulations.

Generally, no outward remittance of any kind from Bangladesh is allowed unless expressly approved by the Foreign Exchange Regulations or the Bangladesh Bank.

fSuch offices are expected to pay inward remittances of at least USD 50,000 within two months from the date of establishment as a cost of establishment.

One of the requisite approvals for the establishment is that security clearance must be obtained from the Ministry of Home Affairs of the Government of Bangladesh. (foreign investment in Bangladesh)

5. Option of Participating in an existing Bangladeshi company by purchasing shares (procedure of foreign investment in Bangladesh.)

In regards to foreign investment in Bangladesh, Foreign investors are free to invest in local companies in Bangladesh unless expressly prohibited (as stated above).

Shares can also be given to foreign investors against capital machinery brought by them to Bangladesh (subject to confirmation by the Customs and Excise Office of the import documents, Procedure of foreign investment in Bangladesh).

If you want to know how to open a company in Bangladesh or about company formation click here!

Procedure Of Foreign Investment In Bangladesh

Right to Issue and Transfer Shares in Bangladesh – Procedure of foreign investment in Bangladesh.

 

There is no need for permission from the Bank of Bangladesh to set up such ventures if the entrepreneurs use their own funds. Prior approval of the Central Bank is not necessary for the issuance of shares in favor of non-residents against foreign investment in BD.

 

Shares may be issues relating to freely convertible foreign exchange brought in from abroad via the banking channel or to the importation of capital machinery or the combination of both.

 

Foreign exchange thus entered must be paid out in taka before the issuance of shares, except in the case of Type A (full foreign owned) and Type B (joint venture) units of EPZ and EZ, where FC ‘s foreign bright equity of be held in the FC accounts of the units concerned.

 

Transferring shares and securities in Bangladesh from one shareholder to another shareholder regardless of their nationality / residence does not require approval from Bangladesh Bank.

 

In the event of a transfer of private / public (non-listed) shares between resident-non-residents or vice versa, a general intimation to Bangladesh Bank is required by the Approved Bank within 14 days of such a transaction.

 

As there is no established marketplace for such investment in Bangladesh, Bangladesh Bank will accept fair value of the shares as on the date of sale based on a reasonable combination of three valuation approaches (NAV; Tahmidur Rahman RemuraV and DCF), depending on the nature of the company in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

 

If you want to know everything about Share Transfer process in Bangladesh!

Foreign Investment In Bangladesh

Full Repatriation of Dividend, Investment and Income for foreign investors in Bangladesh.

It will enable complete repatriation of the capital invested from free sources in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh. Profits and dividends accruing to foreign investment can likewise be transferred in full (Procedure of foreign investment in Bangladesh).

Those would be considered as new investment if foreign investors reinvest their reparable dividends and/or retained earnings. Foreigners living in Bangladesh have the right to remit up to 50 percent of their income and can enjoy facilities for complete repatriation of their savings and pension benefits. (Procedure of foreign investment in Bangladesh.) 

 

Laws for the Protection of Foreign Investment in Bangladesh

 

For a seamless procedure of foreign investment in Bangladesh, the government guarantees immunity from nationalisation and expropriation through the 1980 Foreign Private Investment Act that involves repatriation of capital and dividend for foreign investors.

In addition, to facilitate the Procedure of foreign investment in Bangladesh, Bangladesh has made ample legal provisions to secure intellectual property rights. In addition to the 1980 Foreign Private Investment Act , the government has developed an FDI Policy (Foreign Direct Investment Policy for the Procedure of foreign investment in Bangladesh), which supports easy but efficient investment mechanisms in Bangladesh.

 

The policy encourages the establishment of enterprises by simplifying the leasing and purchasing process of private property, forming an agency, enabling corporate tax holidays for 7 years (15 years in the power sector) and in some respects introducing an exemption of foreign employees’ income tax for up to 3 years.

 

 

 

Foreign Investment In Bangladesh_Trends In Foreign Investment In Bangladesh

Disputes Settlement in regards to the procedure of Foreign Investment in Bangladesh

In dispute cases alternative conflict settlement is possible under the 2001 Arbitration Act. The Bangladesh International Convention on the Recognition and Compliance of Foreign Arbitral Awards was signed. Bangladesh is also a member of International Centre for Investment Dispute Settlement (ICSID).

The new law also provides for the implementation without much hindrance of international arbitral awards. Although venturing in a company may be overwhelming, Bangladesh offers investors a safe and resourceful environment suitable for establishing or expanding any company, and it can be said that Bangladesh is in fact a “dream investment destination,” after much consideration.

 

Visa, Work Permit, Citizenship in Bangladesh (Procedure of foreign investment in Bangladesh)

For periods ranging from one month to five years prospective foreign investors may apply for visas. Foreign workers must get BIDA / BEZA / BEPZA work permit.

In an industrial organization the number of expatriate workers can not exceed the ratio of 1:20 (foreign: local) for industrial settings and 1:5 (foreign: local) for commercial establishments.

Citizenship in a scheduled bank may be subject to investment of USD 1 million or a fixed deposit of USD 2 million. Investors can also get ‘NO Visa Requirement’ exemption for investment of more than USD 10 million.

 

If you want to know more in details about Visa obtaining process in Bangladesh

“Tahmidur Rahman Remura Parnters is Considered as one of the leading Investment Law Firms in Dhaka, Bangladesh”

Carpe Noctem Bangladesh

Incentives offered to Foreign Investors in Bangladesh

Bangladesh is keen to boost the economy in a short time and turn the poverty-stricken economy into a developed one. Government investment strategy provides competitive stimulus packages to attract foreign investment. These incentives are updated annually and new incentives are announced, too.

These installations are subject to certain conditions and are issued by the BIDA. Moreover, Bangladesh gives international investors citizenship, permanent residency and multiple entry visas for their ease of business and ease of the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

 

Investing in the Stock market in Bangladesh

International investors are eligible to engage in Initial Public Offerings ( IPOs) without regulatory restrictions. In addition , capital gains from listed securities are tax-exempt for private investors and lower tax rates apply to corporations and other organizations.

 

Import Duty exemption in Bangladesh (Procedure of foreign investment in Bangladesh)

No import duties are applicable for export-oriented sectors. There are duty exemptions also for some preferred sectors. General exemption of import duties is also available in respect of import of specific Plant & Machinery and spares.

 

If you want to know everything about Immigration and Citizenship in Bangladesh read this articl

Foreign Investment In Bangladesh_Entering The Bangladshi Market

Allowance of Capital repatriation in Bangladesh

Full repatriation of invested capital, profits and dividends is allowed, subject to applicable taxes to make the process seamless in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

 

Tax holiday facility in Bangladesh (THF) for seamless procedure of foreign investment in Bangladesh

Tax holidays are granted to industries subject to the relevant rules and procedures laid down by the National Revenue Board of Bangladesh (NBR). This may vary from 3 to 7 years depending on the location of the establishment. For example, industries located in the Dhaka and Chittagong Divisions (excluding three Hill Tract districts of the Chittagong Division) are exempted for a period of five years.

This tax holiday scheme, which was scheduled to end in 2015, was extended until June 2019 to create an investor-friendly atmosphere in Bangladesh. Tax holiday facilities are also available to manufacturing units and economic zone developers for a period of 10 years and 12 years respectively, and once again it makes it more seamless, the procedure of foreign investment in Bangladesh.

 

Special Tax Exemption for the foreign investors in Bangladesh

Tax exemptions are commonly permitted in the following cases:

  • There will be scope of tax exemption on royalties, technical know-how fees earned by any international partner, business, company and expert;
  • Reasonable income tax-upto-threeyearsforeign technicians working in industries as defined in the respective schedule of income tax regulations;
  • Relevant revenue of a private corporation conducting public infrastructure projects;
  • In regards to capital gains from the sale of shares of limited public company listed on the stock exchange;
  • NGO reported with the NGO Affairs Bureau;
  • Reasonable profits of companies and other sectors defined in the income tax Ordinance

Depreciation allowance in regards to Tax (Procedure of foreign investment in Bangladesh)

Depreciation allowance shall be allowed in respect of any house, equipment, factory, furniture, bridge, road or overhead used in any company or industrial undertaking in the measurement of income or gains.

The third schedule of the Income Tax Ordinance 1984 sets out a list of various types of properties and their corresponding depreciation allowance rates, which usually range from 10 % to 30% of costs.

The plan also sets out the overview of the usual rate of depreciation allowance, the original rate of depreciation allowance and the accelerated rate of depreciation allowance for various asset groups.

 

If you want to know more in details about tax submission in Bangladesh click here!

 

Avoidance of Double Taxation for Foreign Investors

 

Double taxation for international investors can be avoided on the basis of the Bilateral Double Taxation Avoidance Treaties (DTTs). NBR is responsible for negotiating Double Taxation Agreements (DTAs) with foreign countries to facilitate FDI in Bangladesh.

The DTA is an arrangement between two countries that aims to prevent double taxation by specifying the taxing rights of each country with respect to cross-border income flows and providing for tax credits or exemptions to remove double taxation for the ease of the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

It also allows for the exchange of information between treaty partners on tax evasion. For instance, Bangladesh has double taxation treaties with  Denmark, France, Germany, Belgium, Canada, China, India, Italy, Japan, Poland, Romania, Singapore, South Korea, Sri Lanka, Sweden, Thailand, The Netherlands, The United Kingdom and other countries.

 

Procedure Of Foreign Investment In Bangladesh

Remittance of profits for foreign investors in Bangladesh

Remittance of income of subsidiaries of foreign companies / companies, dividends / capital gains, wages and savings of expatriates, royalties and technical fees, training and consulting fees, receivables obtained by shipping companies and airlines for freight and transit can be made by approved dealers without the prior approval of the Bangladesh Bank.

In addition to that the Procedure of foreign investment in Bangladesh are placed in such a way that global entrepreneurs are also entitled to the same facilities as domestic entrepreneurs with regard to tax holidays, dividends, technological know-how fees, etc.

Business profits and tax exemption for foreign investors in Bangladesh

The income of an enterprise of a Contracting State shall be taxable only in that State unless the enterprise carries on business in the other Contracting State through a permanent establishment situated therein.

If the enterprise carries on business as mentioned above, the benefit of the enterprise may be taxed in the other Contracting State, but only in so many cases as is due to that permanent establishment. (Article 7 of the Double Taxation Agreement).

Dividends and tax exemption for foreign investors in Bangladesh

Dividends paid by a company resident in a Contracting State to a resident in the other Contracting State may be taxed in the other State.

However, such dividends may also be taxed in the Contracting State in which the corporation paying the dividends is resident and in compliance with the laws of that State, but where the beneficiary is the beneficial owner of the dividend, the tax paid shall not exceed 10% of the gross sum of such dividends (Article 10 of the Double Taxation Agreement).

Interest arising from contract state for investors

Interest occurring in a Contracting State and charged to a citizen of the other Contracting State may be taxed in another State.

However, such interest may also be taxed in the Contracting State in which it exists and in compliance with the laws of that State, however if the beneficiary is the beneficial owner of the interest, the tax so paid shall not exceed 10% of the gross sum of the interest.(Article 11 of the Double Taxation Agreement).

Capital gain derived by a foregin resident in Bangladesh

Gains obtained by a resident of a Contracting State from the alienation of immovable property referred to in Article 6 and situated in the other Contracting State may be taxed in that other Contracting State. (Article 13 to prevent a double taxation agreement, Procedure of foreign investment in Bangladesh)

Foreign Investment In Bangladesh-Formal Sectors In Bangladesh

Repatriation of investment in Bangladesh – Foreign Investment Law in Bangladesh

Full restitution of the capital accumulated from foreign sources is permitted. Likewise, the gains and dividends accrued on foreign investment can be transferred in full.

If foreign investors reinvest their repatriable dividends and/or retained profits, they will be considered as new assets. Foreigners living in Bangladesh are required to pay up to 75% of their wages and will benefit from complete repatriation of their savings and retirement benefits.

In order to allow full repatriation of the capital invested, benefit and dividend, foreign investors will have to apply for repatriation approval from the Bangladesh Bank through an approved bank. 

Foreign Private Investment (Promotion and Protection) Act, 1980, section 8 also states:

(1)  In respect of foreign private investment, the transfer of capital and the returns from it and, in the event of liquidation of industrial undertaking having such investment, of the proceeds from such liquidation is guaranteed.

(2)  The guarantee under sub-section (1) shall be subject to the right which, in circumstances of exceptional financial and economic difficulties, the Government may exercise in accordance with the applicable laws and regulations in such circumstances.

Foreign Investment In Bangladedsh

 

List of online portals for potential investors in Bangladesh (Procedure of foreign investment in Bangladesh)

Foreign direct investment (FDI)

 

www.bida.gov.bd

BIDA
Investing in economic zoneswww.beza.gov.bd BEZA
Trade-related Informationhttps://www.bangladeshtradeportal.gov.bd/Bangladesh Government
Company name Clearance

http://app.roc.gov.bd:7781/psp/nc_ search?p_user_id=

 

Office of the Registrar of Joint Stock Companies and Farm (RJSC)

 

Registration of Companyhttp://www.roc.gov.bd/

Office of the Registrar of Joint Stock Companies and Farm (RJSC)

 

VAT Registrationhttp://www.nbr.gov.bd/

National Board of Revenue

 

Issuance of Certificate for using standard mark

http://www.bsti.gov.bd/Form_Online.html

Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI)

 

Foreign Investment In Bangladesh_All The Priority Sectors For Foreign Investment In Bangladesh

Elimination of Taxation treaty in Bangladesh

 

In double taxation the following shall be eliminated:

 

(a) If a resident of China receives income from Bangladesh, the amount of tax on that income payable in Bangladesh in compliance with the terms of this Agreement may be credited against the Chinese tax levied on that resident.

 

However, the amount of the credit shall not exceed the amount of Chinese tax on that income determined in accordance with China’s tax laws and regulations.

 

(b) where the revenue received from Bangladesh is a dividend paid by a company resident in Bangladesh to a company resident in China and holding not less than 10 per cent of the shares of the company paying the dividend, the credit shall take into account the tax paid to Bangladesh by the company paying the dividend for its revenue.

 

Bilateral Investment treaties in Bangladesh

Bangladesh has with many nations, including China, signed Bilateral Investment Treaties (BIT) and Trade Agreements (TA). Typical provisions contained in BITs are clauses on foreign investment protection and treatment standards which usually address issues such as fair and equal treatment, full protection and security.

Provisions on reimbursement for damages suffered by foreign investors as a result of expropriation or as a result of war and dispute are typically a central part of such agreements as well. Most IIAs also control the moving of funds across borders in connection with the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

The BITs also contain a clause on dispute resolution between investor and state. Usually this allows investors the right to bring a lawsuit to an international arbitral tribunal if a dispute occurs with the host country (Procedure of foreign investment in Bangladesh).

The International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID), the United Nations Commission on International Trade Law ( UNCITRAL) and the International Chamber of Commerce (ICC) are common places in which arbitration is sought.

Foreign Investment In Bangladesh_Best Law Firm For Investment Tahmidur Rahman

Funding options for foreign investors in Bangladesh

Foreign entities can conveniently access funding for short- and long-term investments from local financial institutions, including working capital loans, syndication, and trade finance. In addition, some of the Foreign Institutions (FIs) at home and abroad have access to on-shore and off-shore funding.

There are currently 58 planned commercial banks in the financial sector, as well as a host of Non-Bank Financial Institutions (NBFIs) and specialized financial institutions.
In addition to raising debt-based funding, investors may also consider securing equity-based capital-market financing from the country.

Raising Capital from the Equity market in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh

International companies can start raising capital from the stock market, subject to fulfillment of certain terms and conditions. The government is keen to increase the number of companies listed on the local stock exchange, and offers regulatory incentives to attract profitable businesses and facilitate the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

Listed firms pay 25 per cent corporate taxes on non-listed entities, excluding those markets, compared with 35 per cent tax limit.
Formal approval from the Bangladesh Securities and Exchange Commission (BSEC) is required for the fundraising process. Companies may use either the fixed price, or the option of constructing books.

The appointed merchant bank and auditor help prepare a prospectus under the fixed-price process, valuing the business based on current assets and prospects for future growth. The indicative stock price is determined and has to be certified by the regulator.

The method of book building involves a designated merchant bank to prepare an indicatively priced prospectus. The contending business then holds a series of road shows in which institutional investors are invited to bid on their stocks. IPO share price is dependent on input from other institutional investors and their interests. 

The DSEX listing process has the mandatory requirement that an Issue Manager be employed or named (approved by the DSEX). The way IPOs are determined needs support from the approved Issue Manager.

The draft prospectus shall be prepared in compliance with the Regulations of an Issue Manager and the Securities and Exchange Commission (Public Issue for the Procedure of foreign investment in Bangladesh ), 2015. IPOs can be issued by either book building or fixed-price system.

Debt capital from local commercial Banks in Bangladesh

International investors have access to financing for the local debt. Trade finance, term loans, and working capital are readily accessible to large foreign investors, in particular.

Interest rates are low for such loans and between 9-16 per cent. Bangladesh has a very large number of  State and commercial banks (as stated in the preceding section), and bank loans can be obtained against collateral secured in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

Private Foreign Commercial borrowing in Bangladesh

To secure long-term foreign currency loans, a request must be sent to BIDA, which will then be forwarded to the Central Bank for further review.
To secure the loans, a business case supporting the loan condition must be included in the application. The proposal, along with the business case, is submitted for evaluation and decision by a committee chaired by the Bangladesh Bank Governor including members from BIDA, PMO Ministry of Finance.

Procedure Of Foreign Investment In Bangladesh

Regulatory institutions facilitating investment in Bangladesh

The investment route depends on the business sector and on the FDI policy introduced by the Government of Bangladesh. The following government and trade agencies would oversee and encourage investment in most sectors;

The Bangladesh Investment Development Authority (BIDA), Formerly known as the Investment Board (BOI), has been set up to deal with local and foreign investment issues. All incoming investments must be pre-approved by BIDA.

The regulatory body aims to encourage domestic and foreign investment by simplifying the bureaucratic complexities of entering the Bangladesh market in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh. 

Bangladesh Bank ( BB) is the central bank of the country. The central bank must be officially informed of any foreign transactions, including equity investments made on the stock market. All incoming investments shall be reported to BB via commercial banks.

Relevant trade bodies and chambers in Bangladesh

The Dhaka Chamber of Commerce and Industry (DCCI) is a non-profit, service-oriented chamber serving as the first point of contact for small and medium-sized enterprises. DCCI offers market-oriented inputs to imports , exports and investments throughout the government’s policy formulation period for the Procedure of foreign investment in Bangladesh.

The Chamber periodically publishes guidebooks to promote trade and investment. DCCI also has its own training facility to facilitate the growth of capability of professionals associated with member organizations.

The International Investment Chamber of Commerce and Industries (FICCI), founded in 1963, is made up of 188 members across the mining, service and manufacturing sectors. Classified as Class ‘A’ Chamber of Commerce, FCCI is affiliated with the FBCCI, the International Trade Center (Geneva) and the World Trade Organization (Paris).

The Metropolitan Chamber of Commerce and Industry (MCCI) is a leading chamber body made up of representatives of major local and multinational corporations. The MCCI maintains frequent ties with major international trade organizations and global private sector organizations. (procedure of foreign investment in Bangladesh)

Exit policy for foreign investors in Bangladesh

An investor can terminate an investment either by a decision of an annual or an extraordinary general meeting. Once a foreign investor has completed the formalities to leave the country, he or she can repatriate the net proceeds after obtaining proper authorisation from the central bank (Bangladesh Bank, Procedure of foreign investment in Bangladesh).

Procedure Of Foreign Investment In Bangladesh

Frequently Asked Questions about Foreign Investment in Bangladesh

In regards to Foreign Investment in bangladesh people also ask these questions frequently, hence this FAQ content block is dedicated to answering your questions.

Foreign Direct Investment in Bangladesh at TLS:

The Barristers, Advocates, and lawyers at TLS in Gulshan, Dhaka, Bangladesh are highly experienced at dealing with foregin direct investment, where we assist clients in setting up of the complete business irrespective of whether it is within a specialized zone or any other part of Bangladesh. In TR Barristers in Bangladesh, our experience helps us to efficiently execute local and cross-border global transactions while helping you at all stages of the process and offering you cost-effective, realistic business solutions. In addition to handling various issues related to domestic clients on a regular basis, it also has experience in consulting and assisting numerous international clients with utmost care and attention throughout their legal exploration in Bangladesh. For queries or legal assistance in regards to the Procedure of foreign investment in Bangladesh, please reach us at:

 E-mail:[email protected]
Phone:+8801847220062 or +8801779127165

House 410, Road 29, Mohakhali DOHS

 

FAQ

Which Countries invest the most in Bangladesh?

The country's major investors are China, South Korea , India, Egypt, the United Kingdom , the United Arab Emirates and Malaysia. According to the most recent data available from Bangladesh Bank, FDI flows increased by 5.36% to USD 1.65 billion in July-October 2019 per year. -Procedure of foreign investment in Bangladesh

How is the Investment Scenario in Bangladesh in 2020?

Bangladesh is already recognized as a thriving investment hub, reflected in influxes of foreign direct investment ( FDI) from the region. Bangladesh 's FDI amounted to USD 2.58 billion at the end of June 2018.
According to the Bangladesh Investment Development Authority (BIDA), there was a 13.34% rise in FDI in the third quarter of 2018, with proposals worth USD 3.23 billion in the basket. Mega-projects by the government is seen as the primary explanation for significant FDI investments in  Transportation, transportation , and communications. Exports from the country are also growing amid domestic consumption.

What is an example of Foreign Direct Investment in Bangladesh?

Examples of foreign direct investment in Bangladesh include, but are not limited to, mergers, acquisitions, retail, utilities, logistics, and development. Foreign direct investment and the laws that regulate it can be critical to the growth strategy of a business.

What are the types of foreign Investment?

Examples of foreign direct investment in Bangladesh include, but are not limited to, mergers, acquisitions, retail, utilities, logistics, and development. Foreign direct investment and the laws that regulate it can be critical to the growth strategy of a business.

What is the current trend of foreign investment in Bangladesh?

35.4 per cent of the FDI came from the manufacturing industry in 2016-17. The country witnessed phenomenal Y-o - Y growth of 11 per cent 2017 In this area. Experts in industry are optimistic this development will be maintained in the years to come. The sectors of transport , storage and communications ranked second with FDI inflows of 25 per cent.

This may be due to the mega projects being initiated and executed by the government at the present time. Over the time, electricity, accompanied by gas and petroleum, attracted FDI of 19 per cent. Over the years, the power sector has steadily drawn foreign investments due to the Government 's attractive tax incentives. (Procedure of foreign investment in Bangladesh)

How Foreign investors can enter into Bangladeshi Market?

Foreign investors may either form a wholly / partially owned subsidiary, or set up a branch or liaison office for Bangladesh operations. The type of organization that was created will rely on the medium- and long-term strategy of the investor for market penetration. Hence the three conventional ways of entering the Market in Bangladesh:

  • Wholly owned subsidiaries
  • Limited liability by purchasing shares in an existing Bangladeshi company
  • Joint ventures

How to get work permit and visa as a foreign investor in Bangladesh?

For investors planning to become resident in Bangladesh by taking a full-time position or for the company's expatriate employee, branch office, liaison office, work permit is required.

Upon arrival in Bangladesh for a short period of time under two types of visa, the person is required to apply for a work permit with BIDA and an extension from the Passport and Visa Department, subject to effective completion of the security clearance.

How to get work permit and visa as a foreign investor in Bangladesh?

For investors planning to become resident in Bangladesh by taking a full-time position or for the company's expatriate employee, branch office, liaison office, work permit is required.

Upon arrival in Bangladesh for a short period of time under two types of visa, the person is required to apply for a work permit with BIDA and an extension from the Passport and Visa Department, subject to effective completion of the security clearance.

How to get work permit and visa as a foreign investor in Bangladesh?

For investors planning to become resident in Bangladesh by taking a full-time position or for the company's expatriate employee, branch office, liaison office, work permit is required.

Upon arrival in Bangladesh for a short period of time under two types of visa, the person is required to apply for a work permit with BIDA and an extension from the Passport and Visa Department, subject to effective completion of the security clearance.

What is EPZ or Export Processing Zone in Bangladesh?

Export Processing Zone is ideal for wholly owned export-oriented companies, if it is a Joint Venture, etc. 08 (eight) EPZs are geographically diversified in various locations within Bangladesh.

Depending on the nature of the company, availability of utilities, rental rates, transportation, availability of qualified man power, etc. Customer may choose acceptable EPZ to invest.

Have a Different Question?

Email us anytime : [email protected]

Or call — +8801847220062 or +8801779127165

Tahmidur Rahman | Law Firm in Dhaka

Affiliated with TR Barristers in Bangladesh, A full service multi-directional law firm in Dhaka.

© 2018-2020 Tahmidur Rahman Matte IT Ltd.

NEED HELP?

Privacy Policy
Disclaimer
Client Login
Sitemap

Call us!

/* home and contact page javasccript */ /* articles page javasccript */