কোম্পানি আইন বাংলাদেশ বলতে মূলত কোম্পানি আইন ১৯৯৪ (Companies Act 1994) বোঝায়, যা বাংলাদেশে কোম্পানি গঠন, পরিচালনা, এবং বিলুপ্তির মূল আইনি কাঠামো প্রদান করে। এই আইনটি ৪৫৫টি ধারা এবং ১২টি তফসিল নিয়ে গঠিত।
কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর মূল বিভাগসমূহ
| বিভাগ | ধারা | বিষয়বস্তু |
|---|---|---|
| প্রথম ভাগ | ১-৩৩ | কোম্পানি গঠন ও নিবন্ধন |
| দ্বিতীয় ভাগ | ৩৪-৮৫ | শেয়ার ও মূলধন |
| তৃতীয় ভাগ | ৮৬-১৩৫ | পরিচালক ও ব্যবস্থাপনা |
| চতুর্থ ভাগ | ১৩৬-১৮৫ | সাধারণ সভা ও ভোটাধিকার |
| পঞ্চম ভাগ | ১৮৬-২৩০ | হিসাব ও নিরীক্ষা |
| ষষ্ঠ ভাগ | ২৩১-৩৩০ | কোম্পানি বিলুপ্তি |
গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ
ধারা ১১: কোম্পানি নিবন্ধন
এই ধারায় কোম্পানি নিবন্ধনের পদ্ধতি, MoA ও AoA জমাদানের বিধান এবং সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন প্রদানের নিয়ম বর্ণিত আছে।
ধারা ৯৫: পরিচালকদের দায়িত্ব
পরিচালকদের ফিডুশিয়ারি দায়িত্ব, কোম্পানির স্বার্থে কাজ করার বাধ্যবাধকতা এবং স্বার্থের দ্বন্দ্ব এড়ানোর বিধান।
ধারা ১৮১: বার্ষিক সাধারণ সভা
প্রতি বছর AGM অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা, নোটিশের সময়সীমা এবং কোরামের বিধান।
ধারা ১৮৯: বার্ষিক হিসাব
কোম্পানির বার্ষিক আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত ও দাখিলের বাধ্যবাধকতা। বিস্তারিত: কোম্পানির বার্ষিক রিটার্ন।
কোম্পানি আইনের সাম্প্রতিক সংশোধনী
কোম্পানি (সংশোধন) আইন ২০২০ মূল আইনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে: ওয়ান পার্সন কোম্পানি (OPC) প্রবর্তন, ডিজিটাল ফাইলিং বাধ্যতামূলক, এবং কর্পোরেট গভর্ন্যান্স জোরদার।
সম্পর্কিত তথ্য
আরও জানুন: কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন বাংলাদেশ, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন, শেয়ার ট্রান্সফার কোম্পানি।
ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান: কোম্পানি আইন বিশেষজ্ঞ
কোম্পানি আইন সংক্রান্ত যেকোনো আইনি পরামর্শের জন্য ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান ও TRW আইন ফার্মের সাথে যোগাযোগ করুন।
