TRW Law Firm - Global Header
কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ বাংলাদেশ: সম্পূর্ণ তালিকা

কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ বাংলাদেশ: সম্পূর্ণ তালিকা

বাংলাদেশে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ নির্ভর করে কোম্পানির ধরন, অনুমোদিত মূলধন এবং আইনজীবীর ফি-এর উপর। কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর Schedule II অনুযায়ী আরজেএসসির ফি নির্ধারিত হয়।

আরজেএসসি নিবন্ধন ফি

অনুমোদিত মূলধননিবন্ধন ফিস্ট্যাম্প ডিউটি
১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত৩,৫০০ টাকা৫০০ টাকা
১-৫ লক্ষ টাকা৫,০০০ টাকা১,০০০ টাকা
৫-১০ লক্ষ টাকা৮,০০০ টাকা১,৫০০ টাকা
১০ লক্ষ - ১ কোটি১৫,০০০ টাকা৩,০০০ টাকা
১-৫ কোটি টাকা২৫,০০০ টাকা৫,০০০ টাকা
৫ কোটির উপরে৫০,০০০ টাকা১০,০০০ টাকা

অন্যান্য খরচ

খরচের ধরনআনুমানিক পরিমাণ
নাম ছাড়পত্র ফি২০০-৫০০ টাকা
MoA ও AoA নোটারি চার্জ১,০০০-৩,০০০ টাকা
আইনজীবী ফি১০,০০০-৫০,০০০ টাকা
ট্রেড লাইসেন্স ফি৫,০০০-২০,০০০ টাকা
TIN সার্টিফিকেটবিনামূল্যে
ভ্যাট নিবন্ধনবিনামূল্যে

মোট আনুমানিক খরচ

একটি সাধারণ প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি (১০ লক্ষ টাকা মূলধন) নিবন্ধনের মোট খরচ সাধারণত ৩০,০০০ থেকে ৮০,০০০ টাকার মধ্যে হয়, যার মধ্যে আইনজীবীর ফি অন্তর্ভুক্ত।

সম্পর্কিত তথ্য

আরও জানুন: লিমিটেড কোম্পানি খোলার খরচ, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন আইনজীবী

ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান

সাশ্রয়ী মূল্যে কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের জন্য ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান ও TRW আইন ফার্মের সাথে যোগাযোগ করুন

আরজেএসসি নাম ছাড়পত্র: আবেদন প্রক্রিয়া ও আইনি বিধান

আরজেএসসি নাম ছাড়পত্র: আবেদন প্রক্রিয়া ও আইনি বিধান

আরজেএসসি নাম ছাড়পত্র কোম্পানি নিবন্ধনের প্রথম ও অপরিহার্য ধাপ। কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ১১(২) এবং কোম্পানি (নাম নির্ধারণ) বিধিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি কোম্পানির নাম অনন্য, অবিভ্রান্তিকর এবং আইনসম্মত হতে হবে।

নাম ছাড়পত্রের আইনি ভিত্তি

কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ১১ অনুযায়ী, আরজেএসসি নিম্নলিখিত কারণে নাম প্রত্যাখ্যান করতে পারে: বিদ্যমান কোম্পানির নামের সাথে মিল, অশ্লীল বা আপত্তিকর শব্দ, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামের সাথে সাদৃশ্য, এবং বিভ্রান্তিকর শব্দ ব্যবহার।

নামকরণের নিয়মাবলী

  • প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির নামের শেষে "Private Limited" বা "Pvt. Ltd." থাকতে হবে
  • পাবলিক লিমিটেড কোম্পানির নামের শেষে "Public Limited" বা "PLC" থাকতে হবে
  • নামে বাংলা বা ইংরেজি উভয় ভাষা ব্যবহার করা যাবে
  • নামটি কমপক্ষে ৩টি শব্দ দিয়ে গঠিত হওয়া বাঞ্ছনীয়

অনলাইনে নাম ছাড়পত্রের আবেদন প্রক্রিয়া

ধাপ ১: পোর্টালে নিবন্ধন

আরজেএসসি পোর্টালে (roc.gov.bd) একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।

ধাপ ২: নাম অনুসন্ধান

প্রস্তাবিত নামটি পোর্টালে অনুসন্ধান করুন। যদি নামটি পাওয়া না যায়, তাহলে আবেদন করুন।

ধাপ ৩: আবেদন ফর্ম পূরণ

কোম্পানির ধরন, প্রস্তাবিত নাম (৩টি বিকল্প সহ), ব্যবসার প্রকৃতি এবং আবেদনকারীর তথ্য পূরণ করুন।

ধাপ ৪: ফি পরিশোধ

অনলাইনে ২০০-৫০০ টাকা ফি পরিশোধ করুন।

ধাপ ৫: অনুমোদন

সাধারণত ১-৩ কার্যদিবসের মধ্যে নাম ছাড়পত্র পাওয়া যায়। অনুমোদিত নাম ৩০ দিন সংরক্ষিত থাকে।

সম্পর্কিত তথ্য

নাম ছাড়পত্রের পর পরবর্তী ধাপ: কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম, মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন

ব্যারিস্টার রেমুরা মেহেরুবা মাহবুব

নাম ছাড়পত্র ও কোম্পানি নিবন্ধনে আইনি সহায়তার জন্য ব্যারিস্টার রেমুরা মেহেরুবা মাহবুব-এর সাথে যোগাযোগ করুন

আরজেএসসি কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন: অনলাইন প্রক্রিয়া ও আইনি বিধান

আরজেএসসি কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন: অনলাইন প্রক্রিয়া ও আইনি বিধান

আরজেএসসি (Registrar of Joint Stock Companies and Firms) বাংলাদেশের কোম্পানি নিবন্ধনের একমাত্র সরকারি কর্তৃপক্ষ। কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ৩৩৩ অনুযায়ী আরজেএসসি প্রতিষ্ঠিত এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।

আরজেএসসির কার্যাবলী

  • কোম্পানি নিবন্ধন ও নাম ছাড়পত্র প্রদান
  • বার্ষিক রিটার্ন গ্রহণ ও সংরক্ষণ
  • কোম্পানির তথ্য সংরক্ষণ ও প্রকাশ
  • কোম্পানি বিলুপ্তি প্রক্রিয়া পরিচালনা
  • শেয়ার হস্তান্তর নথিভুক্তকরণ

আরজেএসসি অনলাইন পোর্টাল ব্যবহার

আরজেএসসির অনলাইন পোর্টাল (roc.gov.bd) ব্যবহার করে নিম্নলিখিত সেবাগুলো পাওয়া যায়: নাম ছাড়পত্র আবেদন, কোম্পানি নিবন্ধন আবেদন, বার্ষিক রিটার্ন দাখিল, এবং কোম্পানির তথ্য অনুসন্ধান। বিস্তারিত: আরজেএসসি নাম ছাড়পত্র

আরজেএসসিতে জমাদানযোগ্য ফর্মসমূহ

ফর্ম নম্বরবিষয়সময়সীমা
Form IMoA ও AoA নিবন্ধননিবন্ধনের সময়
Form IXপরিচালকদের সম্মতিপত্রনিবন্ধনের সময়
Form Xনিবন্ধিত কার্যালয়ের ঠিকানানিবন্ধনের সময়
Form XIIপরিচালকদের বিবরণনিবন্ধনের সময়
Form XVবার্ষিক রিটার্নপ্রতি বছর AGM-এর পর
Form XVIIশেয়ার হস্তান্তরহস্তান্তরের সময়

আরজেএসসি রেজিস্ট্রেশনের সময়কাল

সকল কাগজপত্র সঠিক থাকলে আরজেএসসি সাধারণত ৭-১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সার্টিফিকেট অব ইনকর্পোরেশন প্রদান করে। তবে কাগজপত্রে ত্রুটি থাকলে সময় বেশি লাগতে পারে।

সম্পর্কিত তথ্য

আরও জানুন: কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন বাংলাদেশ, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম, কোম্পানির বার্ষিক রিটার্ন

ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান

আরজেএসসি সংক্রান্ত যেকোনো আইনি সহায়তার জন্য ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান ও TRW আইন ফার্মের সাথে যোগাযোগ করুন

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন: সম্পূর্ণ আইনি গাইড

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন: সম্পূর্ণ আইনি গাইড

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবসায়িক কাঠামো। কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ২(ক) অনুযায়ী, প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হলো এমন একটি কোম্পানি যা তার আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে শেয়ার হস্তান্তরের অধিকার সীমিত করে এবং সদস্য সংখ্যা ৫০-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে।

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির বৈশিষ্ট্য

  • ন্যূনতম ২ জন এবং সর্বোচ্চ ৫০ জন শেয়ারহোল্ডার
  • ন্যূনতম ২ জন পরিচালক
  • শেয়ার হস্তান্তরে বোর্ডের অনুমোদন প্রয়োজন
  • পাবলিক সাবস্ক্রিপশন নিষিদ্ধ
  • বার্ষিক সাধারণ সভা (AGM) বাধ্যতামূলক

রেজিস্ট্রেশনের আইনি ধাপ

ধাপ ১: নাম ছাড়পত্র

আরজেএসসি পোর্টালে কোম্পানির নাম অনুসন্ধান ও অনুমোদন। বিস্তারিত: আরজেএসসি নাম ছাড়পত্র

ধাপ ২: MoA ও AoA প্রস্তুতি

কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর Schedule I অনুযায়ী প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির জন্য Table A অনুসরণ করতে হয়। বিস্তারিত: মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন এবং আর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন

ধাপ ৩: আরজেএসসিতে ফাইলিং

অনলাইনে Form I, IX, X, XII জমা দিয়ে নিবন্ধন ফি পরিশোধ। সম্পূর্ণ নিয়ম: কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

  • পরিচালকদের NID/পাসপোর্ট কপি
  • নোটারাইজড MoA ও AoA
  • নিবন্ধিত কার্যালয়ের প্রমাণ
  • TIN সার্টিফিকেট
  • পরিচালকদের সম্মতিপত্র (Form IX)

রেজিস্ট্রেশন খরচ

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন খরচ

ব্যারিস্টার রেমুরা মেহেরুবা মাহবুব

প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি গঠনে আইনি সহায়তার জন্য ব্যারিস্টার রেমুরা মেহেরুবা মাহবুব-এর সাথে যোগাযোগ করুন

লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন বাংলাদেশ: আইনি প্রক্রিয়া ও সুবিধা

লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন বাংলাদেশ: আইনি প্রক্রিয়া ও সুবিধা

বাংলাদেশে লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন একটি জনপ্রিয় ব্যবসায়িক কাঠামো। কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর অধীনে লিমিটেড কোম্পানি গঠন করলে শেয়ারহোল্ডারদের দায়বদ্ধতা তাদের বিনিয়োগকৃত অর্থের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।

লিমিটেড কোম্পানির আইনি সংজ্ঞা

কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ধারা ৪ অনুযায়ী, লিমিটেড কোম্পানি হলো এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেখানে সদস্যদের দায়বদ্ধতা তাদের ধারণকৃত শেয়ারের অপরিশোধিত মূল্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এটি একটি পৃথক আইনি সত্তা (Separate Legal Entity) হিসেবে বিবেচিত।

লিমিটেড কোম্পানির প্রকারভেদ

  • প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি: ২-৫০ জন শেয়ারহোল্ডার, শেয়ার হস্তান্তরে বাধা
  • পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি: ন্যূনতম ৭ জন শেয়ারহোল্ডার, শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্তি সম্ভব
  • ওয়ান পার্সন কোম্পানি: একক ব্যক্তির মালিকানাধীন লিমিটেড কোম্পানি

লিমিটেড কোম্পানির সুবিধাসমূহ

লিমিটেড কোম্পানি গঠনের প্রধান সুবিধাগুলো হলো: সীমিত দায়বদ্ধতা (কোম্পানির ঋণের জন্য ব্যক্তিগত সম্পদ ঝুঁকিতে পড়ে না), স্থায়িত্ব (শেয়ারহোল্ডার পরিবর্তনে কোম্পানির অস্তিত্ব অক্ষুণ্ণ থাকে), বিনিয়োগ আকর্ষণ, এবং কর সুবিধা।

রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া

লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের জন্য প্রথমে আরজেএসসি নাম ছাড়পত্র নিতে হবে, তারপর মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশনআর্টিকেলস অব অ্যাসোসিয়েশন প্রস্তুত করতে হবে। সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে দেখুন কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করার নিয়ম

রেজিস্ট্রেশন খরচ

লিমিটেড কোম্পানি রেজিস্ট্রেশনের খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে দেখুন লিমিটেড কোম্পানি খোলার খরচ

ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান

লিমিটেড কোম্পানি গঠন ও রেজিস্ট্রেশনে আইনি সহায়তার জন্য ব্যারিস্টার তাহমিদুর রহমান ও TRW আইন ফার্মের সাথে যোগাযোগ করুন